ধীরে ধীরে পদ্মার বুকে স্বপ্ন জাগছে

দৃশ্যমান হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর আরও একটি স্প্যান। এ নিয়ে সেতুতে বসলো মোট চারটি স্প্যান। সব মিলে সেতুর দৈর্ঘ্য এখন ছয়শ মিটার বা আধা কিলোমিটারেরও বেশি। সেতুর কাজের অগ্রগতিতে খুশি সাধারণ মানুষ।

পদ্মার বুকে এক টুকরো স্বপ্ন জাগছে ধীরে ধীরে । কমলপুলীর গন্ধ তাতে নেই আছে আশায় বুক বাঁধার প্রেরণা। ৩৭ ও ৩৮ পিলারের পর গত বছরের ৩০ আগস্ট প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে সেতু দৃশ্যমান করা শুরু। সেই দুটি পিলারের সঙ্গে জোড়া দিয়ে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে বাড়ানো হচ্ছে সেতুর দৈর্ঘ্য।

রোববার ৪র্থ স্প্যান বসানো হয় ৪০ ও ৪১ নম্বর পিলারের ওপর। আশাবাদী ওপারের মানুষের।

জনগণ বলেন, ‘আমাদের জায়গা গেছে তাতে কোন দুঃখ নেই। এখানে একে একে স্প্যান বসছে, ইনশাল্লাহ কাজ চলে যাচ্ছে।’

আরো একজন বলেন, ‘আমাদের চোখের সামনে হচ্ছে, আমাদের ভাল লাগছে। আমরা ব্রিজ দেখে কাজ করতাছি।’

৪১টি স্প্যান জোড়া দিয়ে হবে পুরো সেতু। পিলার প্রস্তুত করে একেকটি স্প্যান বসাতে সময় লাগছে গড়ে দু’মাস। জাজিরা প্রান্তে পাড় থেকে সেতুর দূরত্ব এখন ৫০ মিটারেরও কম। আরেকটি স্প্যান বসানো হলেই এখানকার কাজ শেষ স্প্যান বসানো শুরু হবে মাওয়া প্রান্তে। তখন নদীর দুপাড়েই দৃশ্যমান হবে সেতুর কাজ। এ লক্ষ্যে মাওয়া প্রান্তে দুটি পিলারের কাজ পুরো শেষ এবং একসঙ্গে কাজ চলছে আরো সবকটি পিলারের।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টের দাবি, এখন পর্যন্ত সেতুর কাজে ৮৭ ভাগ অগ্রগতি হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে ৬০ভাগ। সামনের বর্ষা মৌসুমে আরো কমে আসবে কাজের গতি।

৪টি স্প্যান অর্থাৎ ৬০০ মিটারের পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান। অংকের হিসাবে,৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর মধ্যে কাজ হয়েছে ১০ভাগের এক ভাগ। তবে অংক অনেক কথাই বলে। বাস্তবতা হল কোটি মানুষের স্বপ্নকে ধারণ করে যে পদ্মা সেতুর ভিত রচনা হয়েছে, সেখানে একেকটি স্প্যান যোগ হওয়ার মাধ্যমে সেই আশাবাদের জায়গা আরো বেশি পোক্ত হয়।

সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *