আসামিরা রিমান্ডে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে সিআইডি

লৌহজংয়ে যুবলীগ নেতা হত্যা
লৌহজংয়ের যশলদিয়া ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আসাদুজ্জামান মোল্লা হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাওনসহ গ্রেফতার ছয় আসামি ও তাদের সহযোগীরা মেদিনীমণ্ডল ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফ খানের আশ্রয়ে নানা অপরাধে যুক্ত-তদন্তে এমন তথ্য-উপাত্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে। এমনকি হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত আত্মগোপনে থেকে আসামি আশ্রয়দাতার সঙ্গে এক হাজার ২৬৩ বার মোবাইলে যোগাযোগ রাখার কললিস্টও সিআইডি পুলিশের সংগ্রহে রয়েছে বলে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। গতকাল বুধবার রিমান্ডে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের লক্ষ্যে গ্রেফতার প্রধান আসামি শাওনসহ ছয় আসামিকে মুন্সীগঞ্জ জেলহাজত থেকে সিআইডি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও নেপথ্যের রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। রিমান্ডের প্রথম দিনের শুরুতেই আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেও যাচাই-বাছাই শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আরও তথ্য গণমাধ্যমে দেওয়া যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জের সংশ্নিষ্ট আমলি আদালতে শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেক আসামিকে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আগামী শনিবার তিন দিনের রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হলেই আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে বলে সিআইডি পুলিশ জানিয়েছে।

সিআইডি পুলিশের এসআই গোলাম সারোয়ার বুধবার বিকেলে জানান, হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া এজাহারভুক্ত আসামি শাওন, রাজা, সৈকত, কাইয়ুম, সুভেল ও আসিক এবং পলাতক আসামিরা মাদক ব্যবসার পাশাপাশি নেপথ্যে অস্ত্র ব্যবসায় যুক্ত থাকার সত্যতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিষয়টি অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে।

বাদী ও নিহতের ভাই মনির হোসেন মোল্লা জানান, চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাওন, শওকত, রাজাসহ সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয়

আসামিদের সবাই প্রভাবশালী এক নেতার শেল্টারে শিমুলিয়া ফেরিঘাট, যশলদিয়া ও আশপাশ এলাকায় মাদক বিক্রি করে। এর নেপথ্যে অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার তথ্য জেনে ফেলার কারণেই আসামিরা তার ভাই ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আসাদুজ্জামান মোল্লাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

সমকাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *