মুন্সীগঞ্জ ১: বড় দুই দলেই বিভক্তি

মোজাম্মেল হোসেন সজল: ভিআইপি আসন মুন্সীগঞ্জ-১। আগামী নির্বাচনকে ঘিরে এখানে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। প্রার্থীরা উঠোন বৈঠক, গণসংযোগ, ধর্মীয় ও সামাজিক এবং দলীয় সভা-সমাবেশে ভোট চাইছেন নিজ নিজ দলের প্রতীকে। এ আসনে জাতীয় পার্টি নিষ্ক্রিয়। বিকল্পধারার অবস্থাও একই। আসনটি এক সময় বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ের মধ্যদিয়ে এখানে আওয়ামী লীগের আধিপত্য বিরাজ করছে।

এই আসনের দুই উপজেলায় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ভয়াবহ কোন্দল প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্ব কোথাও কোথাও তিন গ্রুপে বিভক্ত। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির আমলে সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সাবেক প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রীনগর ও সিরাজদিখানসহ মুন্সীগঞ্জ জেলাকে শাসন করেছেন দীর্ঘ বছর। এই দুই ভিআইপি মধ্যে বর্তমানে শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বিএনপিতে গিয়ে নিজেকে ধরে রেখেছেন এবং বি. চৌধুরী বিএনপি ছেড়ে বিকল্পধারা গঠন করে কাজ করছেন। বিকল্পধারার তেমন ভোট ব্যাংক না থাকলেও ক্লিন ইমেজ নিয়ে বি. চৌধুরী সবার কাছে সমাদৃত।

শ্রীনগর উপজেলার ১৪টি ও সিরাজদিখান উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকা। ২০০৮ সালের নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জের আসন একটি কমে তিনটি হয়। এর আগে শ্রীনগর উপজেলার সবক’টি ইউনিয়নের সঙ্গে সিরাজদিখান উপজেলার আংশিক ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত ছিল। আর এ কারণে বড় দুটি দল থেকে স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রীনগর উপজেলার বাসিন্দারা মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে দলীয় নমিনেশন পেয়ে আসছেন। বর্তমানে শ্রীনগরের ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার আর সিরাজদিখানের অপর ১৪টি ইউনিয়নের মোট ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার। সিরাজদিখানে ভোটার বেশি হওয়ায় এই উপজেলা থেকে এবার প্রার্থী দেয়ার দাবি উঠেছে।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকার সিরাজদিখান ও শ্রীনগরে রয়েছে আওয়ামী লীগে বিভক্তি। এ নিয়ে হয়েছে সংঘর্ষ, একাধিক মামলা।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রুপের সঙ্গে অপর গ্রুপের শ্রীনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ মো. মমিন আলী গ্রুপের কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে। শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে তাদের এই বিরোধ।

মুন্সীগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মূল আলোচনায় রয়েছেন সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন। দলের একটি অংশের বিরোধিতা, আওয়ামী লীগ সরকার ও পুলিশের অসহযোগিতার মধ্যেও জাতীয় এই নেতার কর্মী-সমর্থকরা দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন, শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মমিন আলী। তিনিও এলাকায় আলাদাভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। স্বেচ্ছাসেবক দল, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি মীর সরফত আলী সপুও মাঠে রয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নমিনেশন চেয়ে আসছেন। এলাকায়ও রয়েছে তার বেশ যোগাযোগ। সরকারবিরোধী আন্দোলনে তার বিরুদ্ধে প্রায় দুই শতাধিক মামলা হয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন। এদের মধ্যে মূল আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। গত বছরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র লীগ নেতা গোলাম সারোয়ার কবির গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়। দুই গ্রুপই পাল্টাপাল্টি মামলা করে। সংঘর্ষের দুদিন পর উপজেলার ঝুমুর সিনেমা হলের সামনে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

এরপর থেকে অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি আর এলাকায় আসেননি। তবে সুকুমার রঞ্জন ঘোষ অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ ১০ মাস এলাকায় না থাকলেও গত ২৮শে জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় যোগ দেন। তার অনুপস্থিতির কারণে শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলার উন্নয়ন কাজে ভাটা ও প্রশাসনিক কাজে স্বেচ্ছাচারিতার প্রশ্ন ওঠে। দুই উপজেলায় কয়েক শত অনুষ্ঠানের ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে তার নাম থাকলেও তিনি কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। এমপির অনুপস্থিতিতে তার সমর্থকরা মুন্সীগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ঢাকায় বসে এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাদের দাবি, সুকুমার রঞ্জন ঘোষ আওয়ামী লীগের টিকিট নিয়েই এলাকায় ফিরবেন। এছাড়া প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও একই কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহসম্পাদক গোলাম সারোয়ার কবীর এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের প্রেসিডেন্ট নুরুল আলম চৌধুরী।

বর্তমান সংসদ সদস্য ও শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ বলেছেন, আগামী নির্বাচনে নমিনেশন প্রাপ্তিতে তিনি শতভাগ আশাবাদী। তিনি এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। জয়ের ব্যাপারে কঠিন কোনো সমস্যা হবে না। তিনি এলাকায় কাজ করে ব্যাপক সাড়া জাগানোই এলাকার ভোটাররা তাকে পছন্দ করছেন এবং ভোটও নৌকা মার্কাকেই দেবেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় দল, তাই নমিনেশন যে কেউ চাইতেই পারে।
অধ্যাপক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু ১৯৭৮ সালে ওবায়দুল কাদের-বাহালুল মজনুন চুন্নু দ্বারা গঠিত ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন। এবারই তিনি প্রথম প্রার্থী তালিকায় এসেছেন।

দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা তাকে দলীয় নমিনেশন দেবেন- এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে এই চিকিৎসক বলেন, নৌকার জয় মানে তার জয় নয়- এ দেশের প্রত্যেকটি মানুষের জয়। এ দেশের জয়, এ মাটির জয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার এই বার্তা নিয়ে তিনি মুন্সীগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকায় কাজ করছেন বলে জানান।

মহিউদ্দিন আহমেদ সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মালখানগর ইউনিয়নের পাঁচবার চেয়ারম্যান ছিলেন। একজন পোড় খাওয়া নেতা হিসেবে এলাকায় তার পরিচিতি। সিরাজদিখান উপজেলা থেকে তিনি এবার একমাত্র প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন।

তিনি জানালেন, সিরাজদিখানে দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব শক্ত হাতে ধরে রেখেছেন। দুই টার্ম জনগণ তাকে ভোট দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। ১৯৭০ সালে জামালউদ্দিনের পর সিরাজদিখান থেকে আর কেউ এমপি নির্বাচিত হয়নি। তিনি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করে আসছেন। সিরাজদিখানের সন্তান হিসেবে এবার তিনি সিরাজদিখান থেকে দলীয় নমিনেশন চাচ্ছেন। নৌকা পেলে তিনি বিপুল ভোটে জয়ের আশা করছেন।

ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি গোলাম সারোয়ার কবীর প্রার্থী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করার পর থেকেই স্থানীয় সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষ গ্রুপের সঙ্গে তার সমর্থকদের কয়েক দফা সংঘর্ষ, মামলা ও ছাত্রলীগের একাধিক কমিটি হয়েছে। ইতিমধ্যে তিনি তরুণদের কাছে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

গোলাম সারোয়ার কবির মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে নমিনেশন দেবেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে তৃণমূলে গড়ে ওঠা একজন কর্মী। তিনি এলাকার মানুষের ও জনগণের নেতা বা সেবক হতে চান। দলীয় নমিনেশন পেলে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত বলে তিনি দাবি করেন।

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়া সংগঠক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সিআইপি ব্যবসায়ী নুরুল আলম চৌধুরী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৮ সালের দুঃসময়ের এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করেছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। কাজেই দলীয় সভানেত্রী তাকে মনোনয়ন দেয়ার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন বলে নুরুল আলম চৌধুরীর বিশ্বাস।

শ্রীনগর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কোলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী নেছারউল্লাহ সুজন বলেছেন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষ তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতা। সংগঠনের মূল নেতৃত্ব তার সঙ্গে রয়েছে।

শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, দলীয় কিছু লোক আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমরা সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন দলীয় প্রার্থী আছেন এবং থাকবেন। তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে ব্যাপক ভোট কারচুপির পরও মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ঢাকা বিভাগের ভোট প্রাপ্তিতে প্রথম হয়েছেন।

শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, মমিন আলী তৃণমূলের রাজনীতি থেকে এসেছেন। তাই তৃণমূল ও সাধারণ জনগণ মমিন আলীকে এমপি হিসেবে পেতে চায়। মমিন আলীই বিএনপির তৃণমূলের প্রার্থী বলে উপজেলা বিএনপির এই নেতার দাবি।

এ ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, দেশে নির্বাচনের কোনো পরিস্থিতি নেই, ইলেকশনও দেখছি না।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু বলেন, বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজানো মামলায় কারাগারের নির্জন সেলে রাখা হয়েছে। তাকে মুক্তি দেয়া এবং সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। সেই নির্বাচনে দল তাকে বিবেচনা করবে। এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে কারাবরণসহ তার বিরুদ্ধে দুই শতাধিক মামলা হয়েছে।

বড় দুই দলের বাইরে বিএনপির ব্যানারে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তিনি দলীয় মনোনয়ন না নিলে আসনটিতে তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য মাহী বদরুদ্দোজা চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। জাতীয় পার্টির হয়ে এই আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডেন্ট হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের ব্যক্তিগত আইনজীবী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. সিরাজুল ইসলাম। তবে শেষ মুহূর্তে জোট-মহাজোটের কারণে পাল্টে যেতে পারে প্রতীক ও প্রার্থীর নাম। সে ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী এই আসনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে জোট নয় ভোটের রাজনীতি। এখানে জামায়াতে ইসলামীসহ বামদলগুলোর তেমন ভোটব্যাংক নেই।

মানবজমিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *