মুন্সীগঞ্জে উদ্বোধন হলো পতাকা ৭১ নামের পতাকা ভাস্কর্য

জসীম উদ্দীন দেওয়ান: মুন্সীগঞ্জে আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন হলো পতাকা ভাস্কর্য। জেলা প্রশাসকের ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত মুন্সীগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল শুক্রবার বিকালে এই ভাস্কর্যের অানুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। নতুন প্রজন্মের কাছে এই পতাকা ভাস্কর্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে ভুমিকা রাখবে বলে মনে করছেন এই অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা ও সংস্কৃতি কর্মীরা।

বাঙ্গালী জাতীর মুক্তির সনদ ছয় দফার ছয়টি শক্ত হাত দিয়ে ধরে রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালীন পতাকার আদলে পনের ফুট উচ্চতার এই পতাকাটি। যেটি নির্মান করতে ঘাট শিলা নামের ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠানটির চার জনের সম্মিলীত শ্রমে তিন মাস ছয় দিন সময় ব্যায় করতে হয়। মুন্সীগঞ্জ জেলা শহরের প্রান কেন্দ্র লিচু তলায় শোভা পায় দেশের প্রথম এই পতাকা ভাস্কর্য।

নিজেদের একটি পতাকার জন্য নয় মাস শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়েছিলো বীর জাতি, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা। জেলা প্রশাসকের নিজস্ব উদ্যোগে নির্মিত এই পতাকা ভাস্কর্যটি সৃষ্টি সুখের যেন নতুন উল্লাস বয়ে আনে। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাগ্রত করতে এই পতাকা ভাস্কর্য ভুমিকা রাখবে বলে মনে করছেন, জেলার মুক্তিযোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক কর্মীরাও।

বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা কর্মসূচি এবং সাত মার্চ ভাষণের রেশ সব সময় প্রানে স্পন্দন জোগায়। সেই দুটোর প্রতি অনুপ্রানিত হয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা নিয়ে নিজের প্রেরণায় পতাকা ভাস্কর্য নির্মানে উদ্যোগী হবার কথা জানালেন, জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা।

কোন রকমের সরকারী তহবিল ছাড়াই, জেলার কিছু সংখ্যক লোকের আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে ৪০ শতাংশ জায়গায় ওপরে পতাকা ভাস্কর্য ছাড়াও জেলা প্রশাসক নির্মাণ করে যাচ্ছেন প্রবীন ও প্রজন্ম পার্ক। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্ব প্রথম পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেই দিনটিকে ধরেই ৭১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে দিয়ে শান্তির পায়রা উড়িয়ে, হাজারো লোকের অংশগ্রহনে বর্নাঢ্য র্যালী ও জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সর্বোজনের জন্য উম্মুক্ত করা হলো, পতাকা ৭১ নামের পতাকা ভাস্কর্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *