‘ভুয়া কাগজপত্রে বেগম জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই বলেন, ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দায়িত্বে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন না, অন্য লোক ছিলো। প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে সাজা দিয়ে একটি পরিত্যক্ত ভবনে রাখা হয়েছে। অথচ দেশে হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা লুটপাট হয়, সেদিকে তাদের খবর নেই।’

বুধবার ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়কের মুক্তারপুর এলাকায় জেলা বিএনপির অনশন কর্মসূচি শেষে বক্তব্যদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অনশন কর্মসূচি শুরু করে জেলা বিএনপি

জেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, ‘আগামীতে দেশে প্রহসনের নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। গত নির্বাচন প্রহসনের ছিলো বলে কেন্দ্রে কেন্দ্রে কুকুর ঘুরাঘুরি করেছে, কোন ভোটার ছিলো না।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কাছে দিয়ে দেয়া এবং মন্ত্রিত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা গ্যারান্টি দিতে পারি, এক সপ্তাহের মধ্যে সারা বাংলাদেশে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়ে যাবে। এটা পরীক্ষিত উদাহরণ।’

আবদুল হাই বলেন, ‘আজ দেশে বাসভর্তি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। একইভাবে প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষাসহ সকল পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। বিএনপির সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলো এহসানুল হক মিলন। সে সময় কেউ নকল করতে পারেনি, প্রশ্নপত্র ফাঁসতো দূরের কথা। শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আর সে মেরুদণ্ডের প্রশ্ন যদি বাসভর্তি থাকে, তাহলে আজকের জাতি কোথায় এবং আগামীর দিনের ভবিষ্যত কোথায় যাবে।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাচ্চু, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, জেলা যুবদলের সভাপতি তারেক কাশেম খান মুকুল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জসীমসহ হাজারও নেতাকর্মী।

প্রসঙ্গত, দেশব্যাপী ৬ ঘন্টার অনশন কর্মসূচি থাকলেও পুলিশের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কর্মসূচি শেষ করে জেলা বিএনপি।

অবজারভার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *