অর্পিত সম্পত্তিতে জোরপূর্বক ঘর উত্তোলন নিয়ে উত্তেজনা

মুন্সিগঞ্জে অর্পিত সম্পত্তিতে ঘর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার নয়শংকর গ্রামে বুধবার সকাল থেকে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মৃত্যুর আগে নয়শংকর গ্রামের কলিম কাজী তার ছয় সন্তানের মধ্যে তিন সন্তানকে এই সম্পত্তি ষ্ট্যাম্পে লিখে দিয়ে যান। এতে করে অর্পিত সম্পত্তি অনুযায়ী সম্পত্তির মালিক তিন সন্তান।

বুধবার সকালে মৃত কলিম কাজীর অপর তিন সন্তান পুলিশ নিয়ে বন্টনবিহীন বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে ঘর উত্তোলন শুরু করেন। এই নিয়ে নয়শংকর গ্রামের তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) কাবিরুল ইসলাম খান জানান, নয়শংকর মৌজার ১৫২ নং খতিয়ানে দশমিক ৭৮ শতাংশ অর্পিত (ভূমি ও বাড়ী) সম্পত্তির মালিক হন। এরপর ১৯৯৬ সালে নয়শংকর গ্রামের কলিম কাজী মারা যাওয়ার পর পর ১৯৯৭ সালে তার তিন সন্তান আবুল কাজী, তাহের কাজী ও বাক্কার কাজীর নামে ইউনিয়ন পরিষদের লিজ ট্রান্সফার করা হয়।সে সময় কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ তার তিন সন্তান বলে সার্টিফিকেট দেয়।

এরপর ২০১৫-২০১৬ইং সালে কামারখাড়া ইউয়িনের বর্তমান চেয়ারম্যান তার ছয় সন্তান বলে সার্টিফিকেট দেয়। কোন বাধ্য বাধকতা না থাকায় ৬ সন্তানের নামে পুনরায় লিজ ট্রান্সফার করা হয়। কিন্তু বুধবার সকালে অপর পক্ষের ফেরদৌসি বেগম, আকবর কাজী ও কাশেম কাজী গং হঠাৎ সম্পত্তিতে প্রবেশ ঘর উত্তোলন করায় সেখানে কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রয়াত কলিম কাজীর তিন সন্তানের নামে হস্তান্তর করা ষ্ট্যাম্প বন্টননামা থাকলে এই সমস্যা দেখা দিতো না।
তিনি আরও জানান, নিহত কলিম কাজী তার তিন সন্তানের নামে ষ্ট্যাম্পে লিখে দিয়ে থাকলে এই সম্পত্তিতে তার অন্য সন্তানেররা আর ভাগ পাবে না।

কামারখাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হালদার জানান, মৃত্যুর আগে কলিম কাজী তার তিন সন্তান আবুল কাজী, তাহের কাজী ও বাক্কার কাজীর নামে ষ্ট্যাম্পে এই সম্পত্তি লিখে দিয়ে গেছেন।
আবুল কাজী গং জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা তিনভাই এ সম্পত্তি ভোগ-দখল করে আসছেন। তার অপর তিন ভাই-বোন তার পিতার দেয়া অন্য সম্পত্তিতে বসবাস করছে। বাবা মৃত্যুর আগে তাদের তিন ভাইয়ের নামে এই সম্পত্তি ষ্ট্যাম্পে লিখে দিয়ে গেছেন।

মোজাম্মেল হোসেন সজল
ব্রেকিং নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *