না.গঞ্জে স্কুল ছাত্রী মোনালিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা !

নারায়ণগঞ্জে’র ফতুল্লায় স্কুল ছাত্রী মোনালিসাকে ধর্ষণের পর শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটিতে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে ঘাতক লাশ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই বেরিয়ে এসেছে।

নিহত মোনালিসার বাবা শাহিন মিয়া বাদী হয়ে শনিবার দুপুরে ফতুল্লা মডেল থানায় ঘটনার মূলহোতা একই এলাকার ইকবাল হোসেনের ছেলে দুবাই প্রবাসী সাইদ (৩০) এর বিরদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। সাইদ ঘটনার পর তার স্ত্রী ইভাকে (২৫) শশুর বাড়িতে রেখে আত্মগোপনে রয়েছেন। এদিকে নিহত মোনালিসার স্বজনরা ঘাতক সাইদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে।

নিহত মোনালিসা ওরুফে মুন (১৩) ফতুল্লার বাংলাবাজার আমবাগান এলাকার শাহীন মিয়ার একমাত্র কন্যা। তাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ী থানার আরিয়ালে। সে ফতুল্লার দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল।

এবিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘ক’ সার্কেল) মো. শরফুদ্দিন জানান, সম্পর্কের সূত্রধরে সাইদ নামে এক যুবক মোনালিসার বাসায় যায়। মোনালিসার ছোট ভাইকে খেলতে পাঠিয়ে দেয়।

খোলা শেষে সে বাসায় গিয়ে দেখে তার বোনের লাশ ঝুলছে। মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় যাতে সবাই মনে করে মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় কাউকে এখনো আটক করা যায়নি। তবে ঘটনার মূলহোতাকে আটকের চেষ্টা করছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে ফতুল্লার বাংলাবাজার আমবাগান এলাকায় মোনালিসা মুনার বাড়িতে আসে একই এলাকার সাঈদ। পরে মুনাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখে চলে যায়। এসময় মুনার বাবা শাহীন বেপারী মা মরিয়ম বেগম নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় যায়। তখন বাড়িতে মুনা ও তার ছোট ভাই শাহেদ হাসান (৯) ছিল।

সময়ের কন্ঠস্বর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *