সেতু প্রকল্পের তেল চুরি, তিনজন কারাগারে

মঈনউদ্দিন সুমন: নির্মাণাধীন দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী সেতুর ১০ নম্বর পিলারের কাছে নোঙর করা তেলবাহী ট্যাংকার থেকে তেল চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে গজারিয়া থানা পুলিশ তিনজনকে মুন্সীগঞ্জ আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন জানায়। আদালত শুনানির দিন ধার্য করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে তেল পাচার করার সময় মেহেদী হাসান (২৭), হারুন অর রশিদ (৪৮) ও সাইফুল ইসলামকে (৩৮) হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের কয়েকজন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে পালিয়ে যায়।

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাউশিয়া সংলগ্ন দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী সেতুর নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, ট্রাক, ক্রেন, বার্জ, স্পিডবোটসহ নানা কাজে ব্যবহারের জন্য আনা জ্বালানি তেল কৌশল করে পাচার করে আসছিল একটি চক্র। তারা তেলবাহী ট্যাংকার থেকে মোটর বসিয়ে পাইপ দিয়ে তেল পাচার করে আসছিল। কোটি টাকার এই বাণিজ্যে দ্বিতীয় গোমতী সেতুর প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় একটি চক্র জড়িত বলে ধারণা করছে পুলিশ। চক্রটি দিনের পর দিন অভিনব এই পন্থায় সরকারের কোটি কোটি টাকার তেল চুরি করে আসছিল।

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন-অর-রশীদ জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১‌টার দিকে গোমতী সেতুর ১০ নম্বর পিলারের কাছে নোঙর করা তেলবাহী ট্যাংকার থেকে মোটর বসিয়ে পাইপ দিয়ে তেল পাচার করার সময় তেলপাচার চক্রের তিন সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় চক্রের কয়েকজন পালিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ শনিবার তাদের আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন জানায় পুলিশ। বিচারক শুনানির দিন ধার্য করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এনটিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *