জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে গর্ভবর্তী মা হত্যার বিচার চেয়ে আবেদন

মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের নার্সদের বিরুদ্ধে প্রসূতি মা হত্যার অভিযোগ করেছে প্রসূতির বাবা মো: হানিফ। হানিফ রামশিং এলাকার সিরাজ মিজির বাড়ির ভাড়াটিয়া। প্রসূতি মায়ের তলপেটে কাপড় ভরে সিলাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৪-৫ জন নার্স মিলে এই হত্যার ঘটনা সংঘঠিত করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। এ বিষয়ে প্রসূতি রুনু আক্তারের বড় ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, আগামীকালকে হাসপাতালে বিচারের কথা বলে আমাদেরকে বিদায় করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রুনু আক্তারের স্বামী আব্দুস সাত্তার শেখ পিতা স্বপন ভূইয়া, গ্রাম: মধ্যমহাকালী। ১ বছর পূর্বে সামাজিকভাবে বিবাহ হয় তাদের।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে এমন একটি কপির রিসিভ করা ফটো কপি এমসিটিভির হাতে এসে পৌছেছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় রুনু আক্তার (২২) গর্ভবর্তী অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৯টায় মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আমার স্ত্রী মালেকা বেগম নিয়ে আসে। পরবর্তীতে হাসপাতালের নার্স ৪-৫ জন মিলে আমার মেয়েকে নরমাল ডেলিভারী করে কিন্তু তারা পেট কেটে ফেলে সন্তান প্রসব করায়।

ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। গর্ভের সন্তান বেঁচে গেলেও সন্তানের মাকে আর বাঁচানো যায়নি। নার্সরা পেটের ভিতর কাপড়চোপড় ভড়ে দিয়ে সিলাই দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে এম্বুলেন্স করে পাঠায়। ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তার দেখেই বলেন রোগী পূর্বেই মৃত্যু বরণ করেছে। হাসপাতালের নার্সগণ মিলে আমার মেয়ে রুনু আক্তারকে হত্যা করেছে। এই হত্যার বিচার চাই।

অভিযোগে প্রসূতির বাবা হানিফ হত্যার বিচার নিয়ে সদর হাসপাতালে আসলে তাদেরকে ৩ ঘন্টা দোতালায় বসিয়ে রাখে। অভিযোগকারী হানিফ জানান মাটি দেওয়ার পূর্বে গোসলের সময় পেট কাটা ও ভিতরে কাপড় চোপড় ভরে দিয়ে সিলাই করা দেখে আমরা বুঝতে পেরেছি তারা আমার মেয়েকে হত্যা করেছে।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন হাবিবুর রহমান জানান, প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণে প্রসূতি মারা গেছে। এখানে নার্সদের কোন গাফলতি নাই। এখানে প্রসবের পর যা যা করা দরকার সবগুলোই করেছেন নার্সরা। আগামীকালকে বিচার করা হবে এমন বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, আগামীকালকে তাদেরকে বিষয়টি কিভাবে মারা গেল তা বুঝিয়ে দেয়া হবে।

ক্রাইম ভিশন