সিরাজদিখানে সরকারী জমি দখল করে ইট ভাটা স্থাপন

ইট ভাটার কালো ধোয়ায় গাছ ফলমুল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। মানুষের সর্দি কাশি শ্বাকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। কয়লা থেকে ভীষন ক্ষতিকর কার্বন মনোক্রাইড র্নিগত হয়। যা মানুষের শারীরিক ক্ষতি হয়। মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখনি উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের আকবর নগর এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে কমপক্ষে ৫০ টি ইটভাটার স্থাপনা রয়েছে।

যার ফলে কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ঐ এলাকায় গেলে আকাশের দিকে তাকালে দেখা যায় ইট ভাটার কালো ধোয়ায় আছন্ন হয়ে আছে। শুধু তাই নয় এই ইট ভাটার কারণে দখল হচ্ছে ধলেশ্বরী নদীর দুই পাড়। প্রতিটি ইট ভাটাতেই রয়েছে সরকারি খাস জমি। বিশেষ করে আকবর নগর এলাকার ইট ভাটার মালিক মোঃ নিজাম মেম্বার,খালেক মাদবর ও হাজী মমতাজ এর ইট ভাটায় বেশির ভাগ জমিই সরকারি খাস জমি।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছ, গত বছর নিজাম মেম্বারের “মামা ভাগিনা” ইট ভাটায় অবৈধ ভাবে চালানোর কারণে সিরাজদিখান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নজরুল ইসলাম ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করে এবং অবৈধ ভাবে ইট ভাটা চালানোর কারণে ইট ভাটার আগুন ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পানি দিয়ে নিভিয়ে দেয়। তার পরেও বন্ধ হয়নি ঐ ইট ভাটা। মালিকরা প্রভাবশালি হওয়ায় খাস জমির মাটি কেটে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। দখল করছে সরকারি খাস জমি। তাই তারা বৈধ আর অবৈধ সমান মনে করে।

সিরাজদিখান উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে কিছু কিছু ইটভাটাকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। কিছু ইট ভাটার মালিকরা হাইকোর্টে রিড করেছে। তাই হাই কোর্টের শিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে আমরা সেখানে যেতে পারছি না। বাকী যে সমস্ত ইটভাটায় সরকারী খাস জমি রয়েছে সেগুলো আমরা যাচাই বাছাই করে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করব।

পিপল নিউজ