মুন্সীগঞ্জে হরতালের প্রভাব নেই

মঈনউদ্দিন সুমন: জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদসহ কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে দলটির ডাকা হরতাল চলছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে এ হরতাল শুরু হয়।

তবে মুন্সীগঞ্জে হরতালের কোনো প্রভাব চোখে পড়েনি। হরতালকে কেন্দ্র করে জামায়াতের নেতাকর্মীদের কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি ছয় উপজেলায়।

তবে হরতাল প্রতিহত করতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই যুবলীগের কর্মীরা সদর উপজেলার প্রধান কয়েকটি পয়েন্ট এবং গজারিয়ার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, লৌহজংয়ের ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে অবস্থান করছেন।

মুন্সীগঞ্জে আজ সোমবার জামায়াতের ডাকা হরতালের কোনো প্রভাব চোখে পড়েনি।

অন্য দিনের মতোই যানবাহন চলাচল করছে। দূরপাল্লার বাসগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাড়লেও দুর্ঘটনা এড়াতে সীমিত আকারে চলছে। প্রভাব পড়েনি মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকার সদরঘাট ও নারায়ণগঞ্জগামী যাত্রীবাহী নৌযানগুলোতে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসাইন জানান, জামায়াতের ডাকা হরতালকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পয়েন্টে সকাল থেকে বাড়তি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। তবে কোথাও কোনো মিছিল-সমাবেশের খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান রাজীব বলেন, ‘ভোর থেকেই হরতাল প্রতিহত করতে মাঠে অবস্থান করছি। সদর উপজেলার কয়েকটি পয়েন্টে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কেও রয়েছে আমাদের উপস্থিতি। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশের পাশাপাশি আমরাও সহায়তা করতে প্রস্তুত আছি।’ হরতাল দিয়ে যাতে সাধারণ মানুষের কোনোরকম ক্ষতি করতে না পারে, তার জন্য আমাদের কঠোর অবস্থান আছে বলে জানান তিনি।

দীঘিরপাড় বাস সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর হোসেন বেপারী জানান, ভোর থেকেই বাসগুলো যাত্রী নিয়ে গন্তব্যস্থলে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত বাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটেনি। তবে যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সীমিত আকারে চলছে বলে জানান তিনি।

ঢাকা-মাওয়া পথে বাস চলাচলের সূত্রগুলো জানিয়েছে, সকালেইই ঘাট থেকে যাত্রীরা বাসে করে যাতায়াত করছেন। ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনা এড়াতে কয়েকটি পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

এনটিভি