আমি নাসিফ বলছি

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব নাছিমা বেগমের লেখা ‘আমি নাসিফ বলছি’ বইটি সম্পর্কে দুটো কথা। নাসিফ হলেন সচিব দম্পতি জনাব ফয়জুর রহমান চৌধুরী এবং নাছিমা বেগমের প্রথম সন্তান, যে একজন এএসডি অর্থাৎ Autism Spectrum Disorder-এর বিশেষ শিশু।

১৯৭০-৭৬ সালে আমি যখন মেডিকেল কলেজের ছাত্র তখন ফিজিওলজি, শিশুরোগ বিদ্যা, মেডিসিন বা নাক-কান-গলার কোনো বিষয়ে কোনো শিক্ষকের মুখ থেকে এ শব্দটি শুনতে পাইনি। লিটারেচার পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই শব্দটির আবির্ভাব ঘটে ১৯০০ সালের দিকে। ১৯৪৪ সালের পর কিছুটা প্রচার লাভ করে। সত্তরের দশকে এর ব্যাপ্তি ঘটে। অটিজম সম্পর্কে আমি ন্যূনতম ধারণা লাভ করি ১৯৮০-৮৩ সালের মধ্যে তিনজন রোগী দেখে, তখনকার সোভিয়েত ইউনিয়নে। একটি অটিস্টিক ছেলে তো প্রচণ্ড মেধাবী ছিল অংকে। এই সন্তান দক্ষতা লাভ করে জন্ম থেকে পরিচর্যার মাধ্যমে, যার গুরুদায়িত্ব বহন করেন মা।

নেপোলিয়নের সেই ইতিহাসখ্যাত উক্তি ‘রোব সব an educated mother, I shall promise you the birth of a civilized educated nation’- ‘মা’ই হল জন্মের সূচনা, দেশমাতৃকার সূচনা। সত্যিকার শিক্ষিত বলতে যা বোঝায় তা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, সামাজিক ও পারিবারিক শিক্ষাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নাসিফের নানার বাড়ির শিক্ষার পরিবেশের একটু আঁচ পাওয়া যায় এ বই পড়ে।

অটিজম জীবনের সাহসী যাত্রা ‘আমি নাসিফ বলছি’ যে সৌভাগ্যবতী মা লিখেছেন, তিনি শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত নন, তিনি যে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে প্রকৃতি ও পরিবেশ থেকেও যথেষ্ট শিক্ষা গ্রহণ করেছেন, এ বইটি তার উজ্জ্বল প্রমাণ। এখানেই প্রমাণিত হয় নানার বাড়ির লাইব্রেরিরও একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামাজিক বা দার্শনিক বা শিক্ষিত পরিবার সেটাই, যার ড্রইংরুমে ন্যূনতম ১০০ বই থাকে (Aristotle)।

একমাত্র একজন সার্বিকভাবে শিক্ষিত মা, যিনি সন্তানের জন্য জীবনের সব সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়েছেন, কেবল তিনিই পারেন নিজেকে সন্তানের ভূমিকায় নিয়ে গিয়ে তার আত্মজীবনী লিখতে। আমাদের এই ‘বিশেষ শিশু’ অর্থাৎ বিশেষ গুণে গুণান্বিত নাসিফকে যেভাবে বড় করেছেন বা বড় হতে মা নাছিমা বেগম দেখেছেন, তার এক সাবলীল চিত্র এখানে তিনি তুলে ধরেছেন। এ ক্ষেত্রেও নেপোলিয়ানের আরেকটি বিখ্যাত উক্তি, যা নাসিফের এবং আমাদের জন্য প্রযোজ্য, নাসিফসহ আমরা সবাই বলতে বাধ্য : ‘My success & every thing good, I have done, I owe to my mother.’

মা সম্পর্কে পৃথিবীতে আর কোনো দার্শনিকের এমন সুন্দর মন্তব্য বা গবেষণালব্ধ বক্তব্য নেই, যা নেপোলিয়ানের বক্তব্যকে অতিক্রম করে যেতে পারে। যেমন- The future destiny of a child is always the work of the mother. যদিও ছোটবেলা থেকে আমার ঠাকুরমা সব সময়ই বলতেন, ‘যেদিকেই যাও কপালটা সামনেই থাকবে।’ অর্থাৎ জন্মের সময় স্রষ্টার কাছ থেকে যা চেয়েছিস তা কেউ নিতে পারবে না। অবশ্যই আমি তার সঙ্গে এখন একমত পোষণ করি না। নিজের ভাগ্যকে পুনর্গঠন করার জন্য অসম্ভব পরিশ্রমও করতে হবে। আজকে আমাদের নাসিফ যে এ পর্যন্ত এসেছেন তার পেছনের ভূমিকা কার, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আমরা জানি শিশুটির জন্ম মায়ের গর্ভ থেকে, ক্ষণিকের জন্য দাদির বা অন্য কারও কোলে হলেও মা-বাবার কোলেই তার লালন-পালন। তবে নাসিফের বেলায় কিন্তু তার পরিবারের সব সদস্যই সেবা-যত্ন করতে দ্বিধাবোধ করেননি। এমনকি তার কাজিন ন্যাপি বদলানো থেকে শুরু করে সব রকমের যত্ন নিতে দ্বিধাবোধ করেননি। গৃহকর্মীরা কখনও যত্নে কার্পণ্য করেননি, এটাও লেখক সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।

১৯৮৫ সালের মে মাসের ১৩ তারিখ দুপুর ১২টায় পুরো পরিবারকে আলোকিত করে যে ফুটফুটে সুন্দর শিশুটির আগমন ঘটে বাবা মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী এবং মা নাছিমা বেগমের কোলে, তিনিই হলেন আজকের ৩২ বছরের যুবক নাসিফ।

একজন প্রশাসনিক ক্যাডারের শুধু সদস্য নন, সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে এসেও যিনি নাফিসের মা অর্থাৎ একজন বিশেষ শিশুর মা হিসেবে আমাদের সামনে পরিচয় তুলে ধরেছেন, বয়সে ছোট হলেও আমি তাকে গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আপনারা হয়তো জানেন না, আমি তাকে সব সময় ‘ছোড়দি’ বলে ডাকি। যদিও Order of Precedence-এ তিনি আমার স্যার। চাকরি জীবন এবং পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে যাদের সান্নিধ্য, সাহায্য ও সহযোগিতা লাভ করেছেন- সবাইকে লেখিকা যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে এই পুস্তকে তুলে ধরেছেন।

অকপটে স্বীকার করেছেন সন্তানটি মেয়ে হলে ‘বিষের পাহাড়’ উপন্যাসের ‘শিপ্রা’ বা ‘সিবা’ নাম রাখবেন। ছেলে হওয়ায় স্বামীর ইচ্ছাকে প্রাধিকার দিয়ে জানতে চাইলেন, তুমি কী নাম রাখার ব্যাপারে চিন্তা করেছ? ‘কেহ কারে নাহি ছাড়ে সমানে সমান’। তা না হলে কি একমাত্র দম্পতি দু’জনকেই একসঙ্গে সচিব হিসেবে দেশমাতৃকা ও জনগণের সেবা করার সুযোগ স্রষ্টা দিতেন? তিনি মনে হয় বাংলায় খুব ভালো ছিলেন। তিনি বাংলা ব্যাকরণের সংযোগ বা সন্ধি ভালো করে জানতেন। কিন্তু সন্ধিবিচ্ছেদ জানতেন কিনা জানি না। তিনি দুটো নামের সন্ধি ঘটালেন- নাছিমা নামের ‘নাসি’ এবং ফয়জুর রহমানের ‘ফ’। সুন্দর ও অর্থবহ নাম হল নাসি+ফ=নাসিফ। Naseef অর্থ হল Spoken secrets.

কাউকে দোষারোপ না করে তিনি যেভাবে চিকিৎসকদের ভূমিকা নাসিফের চিকিৎসা ক্ষেত্রে তুলে ধরেছেন, সেটা সত্যিই বিশাল মনের পরিচয় বহন করে। সাধারণত চিকিৎসকের ভুল ও অবহেলা দুটো শব্দকে কখনও কখনও আমরা একসঙ্গে করে ফেলি, যা তিনি করেননি। নাসিফকে লালন-পালন করতে গিয়ে যিনি সেটেলমেন্ট অফিসার এবং ফাউন্ডেশন ট্রেইনিং ছাড়াও চাকরির কনফার্মেশন পান। এটাও বোধহয় বিশেষ শিশু নাসিফের জন্য। না হলে কী করে নাছিমা বেগমের চাকরি স্থায়ীকরণের পরই সার্কুলার জারি হয় ফাউণ্ডেশন প্রশিক্ষণ ছাড়া চাকরি স্থায়ী হবে না?

পৃথিবীতে সবচেয়ে মধুর যে শব্দ তা হল ‘মা’। বোবা-বধির, অটিস্টিক, স্নায়ুবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত অনেক শিশুই বেশিকিছু না বলতে পারলেও ‘মা’ ডাকতে পারেন, ‘আল্লাহ’ বলতে পারেন। যা স্বর্গীয় দান।

চান্দিনা, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, গাইবান্ধা, সোনাগাজী, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জে অবস্থানরত সময়ের যে চিত্র তিনি ‘আমি নাসিফ বলছি’ বইতে তুলে ধরেছেন, তা রূপকথার গল্পের মতো সাজানো নয়, সত্যিকার ঘটনা, আর এতে সর্বত্রই নাসিফ বিরাজমান।

সন্তান বা নিকটাত্মীয়ের চিকিৎসার জন্য একজন মা দেশ-বিদেশে অ্যালোপেথি চিকিৎসা এবং দেশীয় হোমিও ও কবিরাজি চিকিৎসাসহ কোনো কিছুই ছেড়ে দেননি। সব শিশু নিষ্পাপ। যেসব শিশু সুস্থ, তাদের কিছুটা লোভ থাকে, হিংসা থাকে, ঈর্ষা থাকে, অধিক পাওয়ার প্রবণতা থাকে। অটিজম আক্রান্ত শিশুরা মিথ্যা বলে না, চুরি করে না, তাদের বেশি কোনো চাহিদা থাকে না। তবে ঈর্ষা দু’দলের মধ্যেই সমানভাবে থাকে। তাই লেখক তার অটিস্টিক ছেলের অন্য শিশুর প্রতি যে ধরনের ঈর্ষা তা তুলে ধরতে ভুলে যাননি। একইসঙ্গে মায়ের বুক-পিঠ দখলে ছোট ভাই নাঈমের প্রতি নাসিফের যে দৃষ্টিভঙ্গি তাও তিনি এক নিখুঁত শিল্পের মতো তুলে ধরেছেন। ছোট ভাই নাঈম যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন বড় ভাইয়ের জন্য, সেই চিত্রটিও তিনি এ ক্ষেত্রে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন।

ছেলের সুস্থতার জন্য এতবড় পদ-পদবী এবং বংশ পরিচয় তুচ্ছ করে জানামতো এমন কোনো হোমিওপ্যাথি, কবিরাজ, পীর-ফকির, ঝাড়-ফুঁক, জিনের বাদশা নেই, যার কাছে নাসিফকে নিয়ে যাননি। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। এতে তিনি বিচলিত হলেও ধৈর্য হারাননি।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, মহাপরিচালক (সমাজকল্যাণ অধিদফতর) ও সচিব থাকা অবস্থায় লেখকের সঙ্গে আমার পরিচয়। শুধু পরিচয় নয়, আন্তরিকতা, শুধু পরিচয় বা আন্তরিকতা নয়, একই বৃক্ষের অত্যাশ্চার্য ফল বিশেষ শিশুদের জন্য আমরাও ওই গাছের ডালা হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেছি। দেখেছি, সৌন্দর্যমণ্ডিত বহুগুণে গুণান্বিত ওই শিশুদের। দেখার সুযোগ হয়েছে তাদের মা নাছিমা বেগমকেসহ অনেক মাকে। Parents forum নামে একটা সংগঠন আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য থাকাবস্থায় করে দিয়েছিলাম। যেখানে স্বল্পসংখ্যক ব্যতিক্রমী মাকে দেখেছি। কিন্তু অদ্ভূত ও সত্যিকার পরিবর্তন তিনি এনে দিয়েছিলেন। এসব বিশেষ শিশুর সব মা নাছিমা বেগম হলে এবং সায়েমা ওয়াজেদ পুতুলের মতো কাণ্ডারি রয়েছেন যেহেতু, এ দেশকে সব ধরনের বিশেষায়িত শিশুদের স্বর্গভূমিতে পরিণত করা যেত। এবং ২০১১-এর ২৫ জুলাই থেকে ৬ বছরে বাংলাদেশে অটিজমের ক্ষেত্রে যে ঈর্ষণীয় অগ্রগতি, যা এশিয়া ছেড়ে সারা বিশ্বে পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা শুধু সম্ভব হয়েছে শিশু মনস্তত্ত্ববিদ সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে।

মা, মাটি, মানুষ ও মানবতা একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। এদের কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করে না। মা-সন্তানের বন্ধু। আমাদের সমাজব্যবস্থা ও সামাজিক কুসংস্কার সম্পর্কে আমরা সবাই সচেতন। Parents Forum গঠন করতে গিয়ে দেখেছি, আমাদের অনেক বিশেষ শিশুর বাবারা, শিশুটির জন্মের জন্য মায়ের ওপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে পরিবার বিচ্ছিন্ন করে সরে গেছেন। যদিও পরিবারে মেয়ে শিশুর জন্ম হলে মাকে দায়ী করা হয়, কিন্তু জেনেটিকস স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে বাবার XY ক্রোমোসোমের Y যদি মায়ের X-এর সঙ্গে Intersect না করে তাহলেই কন্যাসন্তান হয়। সুতরাং দায়টা পিতার ক্রোমোজোমের। Downs Syndrome 47XXX ও একই ব্যাপার।

তেমনি বিশেষ শিশুর জন্ম হলে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় ছেলের পরিবার থেকে মেয়েকেই দায়ী করা হয়। এমনকি কখনও যদি বাবার বংশগতির কোনো প্রজন্মে প্রতিবন্ধী থেকে থাকে, তাহলেও মা ও তার পরিবারকে দায়ী করা হয়। যদিও মায়ের পরিবারে এর লেশমাত্র নেই।

জনাব ফয়জুর রহমান চৌধুরী এবং নাছিমা বেগমের পরিবার এ ক্ষেত্রে এক ব্যাতিক্রম উদাহরণ। পৃথিবীর সব পরিবার যদি এরকম হতো তাহলে কোনো শিশুই কোনো পরিবারে বোঝা হতো না। ‘আমি নাসিফ বলছি’ বইটিতে নাছিমা বেগম কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন যে, তার স্বামীর পরিবারের প্রত্যেকে নাসিফের সার্বিক সেবা ও যত্ন প্রদান করেছেন। লেখিকা কোথাও কখনও নাসিফকে ৩২ বছরের যুবক হিসেবে গড়ে তুলতে একক কোনো কৃতিত্ব নেননি। আমরা জানি মা সর্বত্র বিরাজমান, কিন্তু এ ক্ষেত্রে তিনি এক অসাধারণ ত্যাগ নিয়েই সব আত্মীয়স্বজনকে তার কৃতিত্ব দিয়েছেন।

আমি আমার ৬৫ বছরের জীবনে একবার হেলিকপ্টার ভ্রমণ করেছিলাম। আমার সৌভাগ্য আমার সহযাত্রী ছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান, চ্যান্সেলর অব ইউনিভার্সিটি এবং অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, কনভোকেশন স্পিকার। আমরা যাচ্ছিলাম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশনে। সেখানে আমি অধ্যাপক কবীর চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, স্যার আপনি কি ‘Children of the Lesser God’ সিনেমাটি দেখেছিলেন? তিনি মাথা নেড়ে তার নিজস্ব ভঙ্গিতে জবাব দিলেন, দেখেছি, দেখেছি, দেখেছি। কী অদ্ভূত অভিনয় করেছেন বোবা ও বধির মেয়েটি নায়িকার ভূমিকায়।

পৃথিবীর আর কোনো মনীষী নেপোলিয়নের মতো মাকে মূল্যায়ন করেননি। যদিও সব বিবেক মাকে মূল্যায়িত করতে সক্ষম নয়। ফরাসি জাতি সম্পর্কে উদ্ধৃতি দিতে গিয়ে নেপোলিয়ন বলেছিলেন ‘Let France have good mothers, she will have good sons’ & ‘France needs nothing so much to promote her regeneration as good mothers’. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরও তার মাকে দেখার জন্য গভীর রাতে পায়ে হেঁটে সাঁতার কেটে নদী অতিক্রম করেছিলেন।

নেপোলিয়ন বা বিদ্যাসাগরের মাকে দেখিনি, দেখেছি নাসিফের মা নাছিমা বেগমকে, এতেই আমি পরিতৃপ্ত। জয় হোক নাসিফদের।

জয় হোক নাছিমাদের।

জয় হোক মানবতার।

অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত : বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক; সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

যুগান্তর