মূমূর্ষূ শিশু আফরোজাকে বাচাঁতে প্রয়োজন ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা

প্রায় ১ সম্পাহ ধরে মূমূর্ষূ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আড়াই বছরের শিশু আফরোজা। জন্ম থেকেই হার্টে ফুটা রয়েছে তার। ইতিমধ্যে এনজিওগ্রাম করে ডাক্তাররা নিশ্চিত হয়েছেন ওই ছোট শিশুর জরুরী অপরেশন করা প্রয়োজন। কিন্তু দারিদ্র পিতা অর্থের যোগান না দিতে পারায় ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের ৪১৫ নং রুমের ৬ নং বেডে মৃত্যূ যন্ত্রনায় ছটফট করছে সে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারা বলেছেন তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। উক্ত টাকা যোগার করা সহায় সম্বলহীন অফরোজার পিতার মাতার পক্ষে অসম্ভব। তাই শিশুটিকে বাচাঁতে মূমূর্ষূ সন্তানের হাসপাতালের বেডের পাশে বসে দেশবাসীর দিকে তাকিয়ে আছে তারা। কতিপয় স্ব-হৃদয়বান ব্যাক্তি এগিয়ে আসলেই বেচেঁ যেতে পারে শিশুটির প্রাণ। সেই প্রত্যাশায় বসে থাকলেও সেভাবে সারা না পেয়ে যেন আরো অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে তাদের । শিশু সন্তানটিকে বাচাঁতে মানুষের কাছে হাত পেতে এনজিওগ্রামসহ অন্যান্য চিকিৎসা ব্যায় চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হলেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা যোগার করা তদের পক্ষে অসম্ভব।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার রাউৎভোগ গ্রামের আঃ জলিল ও বিলকিস দম্পতির মেয়ে আফরোজ ( আড়াই) বছর। জন্মের পর হতেই হার্টে ফুটো নিয়েই বেড়ে উঠছিলো সে । বাবা আব্দুল জলিল দিন-মজুর মা বিলকিস বেগম গৃহিনী। নুন আনতে পান্থা ফুরায় তাদের। আঃ জলিলের দম্পত্তির অপর একমাত্র পুত্রও জন্ম প্রতিবন্ধি। তাই দুই সন্তানের চিকিৎসার পিছনেই ব্যায় হয়ে যেতো তাদের উপার্জন। যা উপার্জন করতেন তা দিয়ে চিকিৎসা শেষে শ্রমিক জলিল আদাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করে আসছিলো। কিন্তু হঠাৎ করে আফরোজার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে দিশেহারা হয়ে পরে আঃ জলিল। পরে ওই দম্পত্তি টঙ্গীবাড়ী উপজেলার ধীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আশরাফ চঞ্চল এর শরনাপন্ন হন। চঞ্চল এর সহয়োগীতায় মেয়েটিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এনে ভর্তি করলে এনজিওগ্রাম শেষে ডাক্তাররা নিশ্চিত হন শিশুটিকে বাচাঁতে অপারেশন প্রয়োজন।

এ খবর শুনে কান্নায় ভেঙ্গে পরে জলিল বিলকিস দম্পতি। ভিটে বাড়ি সহায় সম্বলহীন জলিল বিলকিস দম্পতি তাদের একমাত্র মেয়েকে বাচানোঁর জন্য সকলের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। সকলে সাহায্যেই বেঁচে যেতে পারে আড়াই বছরের শিশুকন্যা আফরোজা।

আফরোজাকে সাহায্যের জন্য এই নাম্বারে ০১৯৯১৪৭৩৪১৪ যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা যোগযোগ করতে পারেন ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের ৪১৫ নং রুমের ৬ নং বেডে। হৃদরোগ বিশেসজ্ঞ ডাঃ তরিকুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছে সে।

ক্রাইম ভিশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *