মুন্সীগঞ্জে লোকসানের আশঙ্কা খামারিদের

মুন্সীগঞ্জের কোরবানির হাটে ভারতীয় ও নেপালি গরু চলে আসায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন গরুর খামারিরা। ঈদের শেষ মুহূর্তেও বেচাকেনা জমে উঠেনি গরুর হাটগুলোতে। ক্রেতারা দরদাম করছেন। বিক্রেতারা দাম ছাড়ছেন না। মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬টি উপজেলায় ৩ হাজার ২৩৮টি খামারে আছে ২০ হাজার গরু। জেলার কোরবানির পশুর চাহিদা আছে ৪০ হাজার।

এই বছর জেলার ৪২টি গরুর হাটে লক্ষাধিকের উপরে গরু। স্থানীয় খামারি ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মুন্সীগঞ্জের পশুর হাটগুলোতে গরু আসছে। কোরবানির পশুতে হাটগুলো জমজমাট হয়ে উঠেছে। কিন্তু বেচাকেনা নেই। ক্রেতারা পছন্দের গরুর দরদাম করছেন। বিক্রেতাদের অভিযোগ, হাটগুলোতে ভারতীয় ও নেপালি গরু এসে পড়ায় দেশীয় গরু বিক্রিতে তারা লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

তবে, কোরবানির গরু বিক্রিতে চলতি বছরের মতো এমন ক্রেতার অভাব বিগত বছরগুলোতে দেখা যায়নি বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। ক্রেতারা জানিয়েছেন, হাটগুলোতে গরুর দাম অনেক বেশি। বিক্রেতারা দাম ছাড়ছেন না। মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের খেতেরপাড়া বাসস্ট্যান্ড মাঠ এলাকার পশুর হাটের ইজাদার ও ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মো. আনোয়ার হোসেন জানালেন, বর্ষার পানির জন্য রাখার সমস্যা হওয়ায় অনেকে গরু কিনছেন না। ঈদের একদিন আগে এই অঞ্চলের মানুষ গরু কিনে থাকেন। গরুর হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

মানবজমিন