মেঘনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ৭

গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাত কিশোর গ্রেফতার হয়েছে। উপজেলার চরকালীপুরা গ্রাম সংলগ্ন নাদীতে চলাচলকারী নৌযানে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিন নৌকা ও আদায় করা চাঁদার ২৬০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে এই সাত কিশোরকে মুন্সীগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, কালীপুরা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে আদায়ের খবরে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে অভিযান চালায়। এই সময় তাদের হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। পরে অনেক যাচাই বাছাইয়ের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় এবং গ্রেফতার দেখানো হয়। তাই বিষয়টি শনিবার প্রকাশ করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ চরমশুরা গ্রামের মো: পিককিস(১৭), মো: জামাল হোসেন(১৫), মো: রানা (১৫), রমজান হোসেন(১৭), মো. আশরাফুল(১৭), মো. আশেকুর রহমান(১৩) ও মো. আল আমিন (১৪)।

গজারিয়া নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই সামছুল হক জানান, এএস আই মো. নাজমুল হক বাদী হয়ে উল্লেখিতদের অভিযুক্ত করে গজারিয়া থানায় শনিবার একটি মামলা হয়েছে।

গজারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ঈদ সামনে রেখে নৌপথে টহল জোরদার করে হাতেনাতে এই চাঁদাবাজ আটক করা হয়। চাঁদাবাজি মামলায় আদালতে নেয়ার আগে শনিবার গজারিয়া থানায় কথা হয় কিশোরদের সাথে। এদের মধ্যে দশম ও সপ্তম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীও রয়েছে। তাদের দাবী ট্রলার নিয়ে নদীতে গোসল করতে এসেছিল। কিন্তু পুলিশ বিনাদোষে তাদের আটক করে।

এই চাদাঁবাজি মামলার তদন্ত কর্মকতর্কা গজারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুব্রত দেবনাথ জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাদে পিকনিকের জন্য টাকা (চাঁদা) নেয়ার জন্য নদীতে চলাচলকারী নৌযানে তাঁরা চাঁদা আদায় করছিল বলে স্বীকার করার পর আদালতের মাধ্যমে শনিবার দুপুরে আসামীদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

জনকন্ঠ