মুন্সীগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

মোঃ রুবেল ইসলাম তাহমিদ: মুন্সীগঞ্জে বুধবার নিম্নাঞ্চলের আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শ্রীনগর, লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কয়েক হাজার পরিবার। পদ্মা তীরের বাড়িঘর জলমগ্ন ছাড়াও বহু ফসলী জমি তলিয়ে গেছে।

চর এলাকায় বানভাসি মানুষ দুর্ভোগে আছেন বেশী। পদ্মার পানি আজ বুধবার সকালে ভাগ্যকূল পয়েন্টে বিপদসীমার ৬দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছিল।পানি বৃদ্ধিঅব্যাহত থাকায় আজ সকাল থেকে টঙ্গীবাড়ি হাসাইল, বানারী, পাচনখোলা, নগর যোয়ার, পাঁচগাঁও, কামারখাড়া, লৌহজং উপজেলার কনকশার, যসলদিয়া, মাওয়া শ্রীনগর উপজেলার কবুতর খোলা সহ ৬.দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার বিপদ সীমার অতিক্রম করে ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৬ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে দুপুর ১টা পর্যন্ত। আরও কয়েকটি গ্রমের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এ তথ্য দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যসহকারী মোঃ জয়নাল। বলেন এই সময়ে মাওয়ায় লৌহজং শ্রীনগর ভাগ্যকুল এলাকায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে। অনেক জলমগ্ন হয়েছে। তবে বন্যার তুলনায় পুরোপুরি সমস্যা দেখা যায়নি। লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মনির হোসেন। বলেন, প্রশাসন জলমগ্ন এলাকার মানুষের পাশে রয়েছে। সরকারিভাবে সবরকম প্রস্তুতি রয়েছে। লৌহজং উপজেলায় মোট ১১টিআশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে,তিনি আরো বলেন সার্বিক পরিস্তিতির উপর বিবেচনা করে সরকারের কাছে, ত্রান সামাগ্রীর চাহিদা জানানো হয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষের সু চিকিৎসা দেয়ার জন্য, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিম গঠন করে প্রশি..ন প্রাপ্ত ডাঃ দিয়ে উন্নত চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে করে এলাকার বানভাসি মানুষ দুর্ভোগে কেউ চিতিৎসা সেবা থেকে অবহেলিত না হয়।