মাওয়া ঘাটে সৌদিফেরত নারীকে অচেতন করে টাকা মোবাইল ফোন লুট

সৌদিফেরত নারী জিয়াসমিনকে অচেতন করে টাকা ও মোবাইল ফোন লুটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়া ঘাট থেকে তাঁকে উদ্ধার করে। পরে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। গতকাল এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিয়াসমিনের চেতনা পুরোপুরি ফেরেনি।

জানা যায়, স্বামী ইমরান হোসেনের সঙ্গে ভারতের বেঙ্গালুরুতে থাকেন জিয়াসমিন। সেখান থেকে হজের কথা বলে তাঁকে সৌদিতে পাঠানো হয়। কিন্তু হজের পরিবর্তে তাঁকে গৃহকর্মীর কাজ করতে দেওয়া হয়। কাজ না করে গতকাল সকালে তিনি বিমানে করে বাংলাদেশে আসেন। রাজধানীর গুলিস্তান থেকে পিরোজপুরের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে বাসে ওঠেন।

একপর্যায়ে পাশের সিটের যাত্রীর কাছে নিজের সব কথা খুলে বলেন তিনি। এ সময় সহযাত্রী তাঁকে পিরোজপুর পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে জুস খেতে দেয়।

খাওয়ার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। মাওয়ায় পৌঁছলে বাসের হেলপাররা তাঁকে ঘাটে ফেলে যায়। লোকমুখে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করে। তাঁর সঙ্গে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন খোয়া গেছে। জিয়াসমিন তাঁর বাবার নাম আব্দুল কাদের মৃধা বলে জানিয়েছেন।

কালের কন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *