গজারিয়ায় এ কেমন নির্মমতা!

মুন্সিগঞ্জে গজারিয়া উপজেলা ইমামপুর ইউনিয়নে হোগলাকান্দি গ্রামের বিদেশ ফেরত মো: হোসেন মিয়া দীর্ঘ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে খালি হাতে দেশে ফেরত আসে।

আসার কিছু দিন পর বিয়ে করেন, কোথাও কোন কোম্পানিতে কাজও তার মিলছে না, চক্ষু লজ্জার ভয়ে এলাকায় বেগার খাটাও তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। কি করবে? এ অবস্থায় স্ত্রীর পরামর্শে ধার দেনা করে চারটি গরু কিনে পালন শুরু করেন। স্বামী স্ত্রী দুজনের সেবা যত্নে গরু গুলো চোখের সামনেই বেড়ে উঠতে থাকে। লক্ষ ছিল ঈদুল আযহায় গরু বিক্রিকরে মানুষের ঋন গুলো পরিশোধ করবে। কিন্তু না, পারেননি হোসেন মিয়া মানুষের ঋন পরিশোধ করতে।

সমাজে মানুষ নামের কীট পতঙ্গগুলা হোসেন মিয়াকে ছিড়ে খেতে বসেছে। গত শুক্রবার(২১ জুলাই) প্রতিদিনের ন্যায় হোসেন মিয়া গোয়াল ঘরে গরুগুলোকে খাবার দিয়ে ঘরে আসে। ঘরে আসার আগেই কোন এক মনুষ্যরুপী জানোয়ার গরুর খাবারের সাথে বিষ মিশেয়ে পালিয়ে যায়। বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২টি গরু মারা যায়। অবশিষ্ঠ গরুগুলিও বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু যন্ত্রনা ছটপট করছে।

এ কেমন নির্মমতা? সমাজের মানুষ নামের জানোয়ারগুলোর কাছে প্রশ্ন? কি দোষ করেছে এ নিরীহ প্রানীগুলো। মানব চেহারার খোলসে যারা মুখোস পড়ে এমন হত্যাযঞ্জ চালিয়েছ? ধ্বিক্কার জানাই তোমাদের।… থু…. তোদের মুখে।

প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। অধিকতর তদন্ত পূর্বক দোষীদের খুজে বের করার দাবি জানাচ্ছি।

জুয়েল রানার ফেবু থেকে