চলাচলের অনুপযোগী: সিরাজদীখান ও শ্রীনগরে খানাখন্দে ভরা সড়ক

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান ও শ্রীনগর উপজেলায় তিনটি সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে জলাশয়ে রূপ নিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সিরাজদীখানের কুচিয়ামোড়া-সৈয়দপুর সড়কের ৫ কিলোমিটার এলাকার একাধিক স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে কাদামাটিতে একাকার হয়ে গেছে। বৃষ্টিতে পানি জমে সড়কটি জলাশয়ে পরিণত হওয়ায় ১৫টি গ্রামের মানুষকে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে, একই অবস্থা বিরাজ করছে শ্রীনগর উপজেলার বালাশুর-ভাগ্যকুল-মাওয়া সড়কের। দীর্ঘদিনেও সংস্কার কাজ না করায় এ সড়কেও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচল মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ সড়কটিতেও বৃষ্টির পানি জমে জলাশয়ে রূপ নিয়েছে। এতে প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা।

অন্যদিকে, একই উপজেলার ভাগ্যকুল-কামারগাঁও সড়কের একাধিক স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে এ সড়কটি দিয়ে বর্তমানে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় এলাকাবাসী সড়ক তিনটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, সিরাজদীখানের কুচিয়ামোড়া-সৈয়দপুর সড়ক দিয়ে একটি কলেজ, দুটি মাদ্রাসা, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দুটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলার ১৫টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ এ সড়কটি দিয়ে চলাচল করে থাকে। সড়কটি দ্রুত মেরামত এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুর রহমান জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যেই জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি মেরামত করা হবে।

অন্যদিকে, শ্রীনগরের ভাগ্যকুল অটোরিকশাচালক সমিতির কর্মকর্তা মো. রাসেল জানান, ঝুঁকি নিয়ে এ বেহাল সড়কে অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। এর ফলে বিভিন্ন যানবাহনকে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। বালাশুর চৌরাস্তা-ভাগ্যকুল-মাওয়া সড়কটি যথাসময়ে সংস্কার না করায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে খানাখন্দে ভরে গেছে। পাশাপাশি ভাগ্যকুল-কামারগাঁও সড়কেরও একই অবস্থা। শ্রীনগর উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, এ সড়ক দুটি মেরামতের প্রক্রিয়া চলছে।

সমকাল