পদ্মার ভাঙ্গনে ২৫টি বাড়ি বিলীন, আতঙ্কে এলাকাবাসী

পদ্মার তীব্র স্রোত এবং ঘূর্ণাবর্তের কারনে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং ও টংগীবাড়ি উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী ২৫টি বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী শতাধিক বাড়ি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিপদসীমার নিচে নদীর পানি অবস্থান করছে। শনিবার সকাল থেকে বাড়িঘর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

টংগীবাড়ি উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের বড়াইল, চৌসার, বাগবাড়ি, জুসিষার গ্রামের ১০টি বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। বড়াইল গ্রামের মসজিদটি গতকাল সন্ধ্যায় ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। ৫টি গ্রামের মানুষ ভাঙ্গন আতংকে নিরাপদ স্থানে বাড়িঘর সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ৫দিন ধরে নদীর পানি বেড়ে গিয়ে গ্রামগুলোতে পানি প্রবেশ করেছে। পরিবার পরজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে এসব গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

টংগিবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল হক জানান, সকালে কামারখাড়া ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে নদী তীরবর্তী গ্রামগুলোর বর্তমান অবস্থা জেনেছি। মসজিদসহ ১০টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।

এদিকে বৃহস্পতিবার লৌহজংয়ের পদ্মা তীরবর্তী গাওদিয়া ইউনিয়নের গাওদিয়া গ্রামের ১০টি বসত বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়ি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, জেলা প্রশাসক ইতিমধ্যে লৌহজং উপজেলার নদী তীরবর্তী গ্রামগুলো পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বেড়ে যায়। বিপদ সীমার নিচে পানি থাকলেও পদ্মা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় গ্রামগুলোতে পানি ঢুকে গেছে।

বিডিলাইভ