পদ্মায় ভাঙন: লৌহজংয়ের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গাঁওদিয়া

পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে লৌহজংয়ের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে গাঁওদিয়া ইউনিয়নের গাঁওদিয়া গ্রাম। ১৯৯৩ সালে লৌহজং এলাকা ভাঙনের কবলে পড়লে উপজেলার ধাইদা ইউনিয়নের গারুগাঁও, তেলিপাড়া, ধানকুনিয়াসহ একাধিক গ্রাম পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়। এ ছাড়া গাঁওদিয়া ইউনিয়নের রানাদিয়া, হাড়িদিয়া, বড় মোকাম, গাঁওদিয়া গ্রামের একাংশ পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। বর্ষার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়েক দিনের অভিরাম বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের প্রবল সে াত আর ঢেউয়ে প্রমত্তা পদ্মার রাক্ষসী রূপ আবার জেগে উঠেছে।

এক সপ্তাহে গাঁওদিয়া গ্রামের ১৫টি বসতবাড়ি, ফসলি জমি, খেলার মাঠ, গাঁওদিয়া বাজারের বেশ কয়েকটি দোকান পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। শনিবার লৌহজংয়ের শামুরবাড়ি, গাঁওদিয়া এলাকায় সরেজমিন দেখা যায়, পদ্মা ভাঙনের ভয়াবহ রূপ। ভাঙনের তীব্রতায় জৈনপুরী পীর সাহেবের খানকা শরিফ, মসজিদসহ গাঁদিয়া বাজারের মসজিদ, শামুরবাড়ির মসজিদসহ ৩টি মসজিদ, গাঁওদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাঁওদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, গাঁওদিয়া বাজারের বাকি অংশ, কমিউনিটি ক্লিনিক একটি খেলার মাঠ, ৪টি ক্লাব ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে। এদিকে ভয়াবহ ভাঙনের কবলে পড়েছে লৌহজংয়ের পদ্মার চর, কুমারভোগ ইউনয়নের শিমুলিয়া বাজার, খড়িয়া গ্রাম, মেদিনীমণ্ডল ইউনিয়নের কান্দিপাড়া গ্রাম, যশলদিয়া গ্রাম, মাওয়া পুরনো ঘাটসহ নদীর তীরবর্তী বেশ কিছু এলাকা জুড়ে চলছে পদ্মার ভাঙন।

যুগান্তর