মা ও মেয়ের সাথে পরকিয়া: মহিলাদের গণধোলাই!

মুন্সীগঞ্জ সরদার পাড়ার মোল্লাবাড়িতে সৌদী প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে রঙ্গমঞ্চ করতে গিয়ে ধরা খেলেন আওয়ামীলীগের পঞ্চসার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন হাওলাদার। মহিলাদের ধোলাই খেয়ে কোনমতে জীবন নিয়ে পালিয়ে বেঁচেছেন আক্তার হোসেন। মা- মেয়ের সাথে পরকিয়া। আওয়ামীলীগ নেতা বলে কথা, না হলে মায়ের সাথে পরকিয়া, মেয়ের সাথেও পরকিয়া। মা-মেয়ের সাথে দৌহিক সম্পর্ক। বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষার শেষ নেই। আলোচনার ঝড় বাইছে এলাকায়। বিষয়টি এখন টপ অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে।

তবে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এলাকার আহাদ মিয়ার স্ত্রী, ইব্রাহীম মোল্লার স্ত্রী, ও শরীফের স্ত্রীসহ ৭/৮ জন মহিলা তাকে ধরে গণধোলাই দিয়ে শার্টও ছিড়ে ফেলে। এলাকার লোকজন আরো জানায় লাকীর মায়ের সাথে আক্তার হালদারের দৌহিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মায়ের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ দেখে ফেলে লাকীর এক ভাই ফয়সাল আত্ম হত্যা করেছে বলে জানান তারা। আক্তার হোসেন সম্পর্কে লাকীর চাচা। চাচা ভাতিজির পরকিয়া নিয়ে সরদার পাড়ায় এখন আলোচনার ঝড় বইছে। মায়ের সাথে পরকীয়ার পরে এবার মেয়ের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লেন এই নেতা। মা মেয়ে দুইজনই এই নেতার প্রেমিকা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক সরদার পাড়ার মৃত সাইজুদ্দিন হাওলাদারের ছেলে আক্তার হোসেন ১ জুলাই শনিবার সন্ধ্যা রাত ৭টায় পাশ্ববর্তী মোল্লাবাড়িতে প্রবাসীর স্ত্রীর লাকী বেগমের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার। সেই সূত্র ধরে যাওয়া আসা। মৃত আবুল হোসেনের মেয়ের স্বামী বিদেশে থাকেন। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তার সার্থে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন আওয়ামীলীগ নেতা আক্তার হোসেন। স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে মহিলাদের মাধ্যমে আবুল হোসেনের ঘরে আক্তার হোসেন ও আবুল হোসেনের মেয়েকে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় দেখে ফেলেন। পরে দ্রুত আক্তার হোসেন লোক লজ্জার ভয়ে একটি প্লাষ্টিকের চালের ড্রামের ভিতর পালিয়ে থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু বেরসিক মহিলারা তাকে টেনে হিচড়ে বের করেন। এই ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। অপরদিকে প্রভাবশালীদের দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী লাকী বেগম ও তার মাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি চেপে যাওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে পঞ্চসার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার রুবেল জানান, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আক্তার হালদার যে কাজটি করেছে তা পশুর মত কাজ। মহিলারা আক্তারকে অসামাজিক কার্যকলাম করা অবস্থায় ধরেছে। তবে সামাজিকভাবে কেউ যদি বিচার নিয়ে আসে তবে বিষয়টি বিচারের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, এমন জঘন্যতম কাজের বিচার আমি চাই। কিন্তু কেউ অভিযোগ নিয়ে না আসলে আমি কি করবো।

পূর্বে লাকীর মায়ের সাথে অবৈধ দৈহিক সম্পর্কের কথাও স্বীকার করেন। লাকীর এক ভাই মায়ের সাথে অবৈধ সম্পর্কের ঘটনা জানায় রাগে, দু:খে আত্মহত্যা করার কথাও স্বীকার করেন তিনি।

সাবেক মেম্বার কাঞ্চন জানান, ঘটনা ১০০% সত্য। আমি এলাকায় খোজ খবর নিয়েছি। ঘটনা সত্যতা পেয়েছি। পূর্বে লাকীর ভাই ফয়সাল আত্মহত্যা করেনি তার মায়ের পরকিয়ার বলি হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি টাকার জোড়ে ধামা চাপা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে আক্তার হালদার জানান, মৃণালকান্তির লোকজন আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেনাস্থা করার জন্য করেছে।

শীর্ষ সংবাদ