মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়ছে রাজমিস্ত্রী টিপু

মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়ছে রাজ মিস্ত্রী টিপু। গত সাত মাস যাবত আহত হয়ে হাসপতালে ভর্তি টিপু। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় টেংঙ্গারচর ও ভাটেরচর গ্রামের মধ্যকার সংঘর্ষে গুরুত্বর আহত অবস্থায় টিপুকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। জানা যায় ২০১৬ সালে ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় টেংঙ্গারচর ও ভাটেরচরের সংযোগ রাস্তার সেঁতুর উপরে সংঘর্ষটি ঘটেছিল। আহত টিপুর মা মোরশেদা বেগম জানান অনেক দিন ছেলেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আই সি ইউতে রাখা হয়। মাথায় অপরেশনের ৫ মাস পর আহত টিপুর মাথায় কৃত্রিম ভাটি বসানো হয়। এখন তার মাথায় নতুন করে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে।

একাধিক অপরেশন করার পরও ছেলে টিপু মৃত্যুর সাথে লড়ছে। চিকিৎসায় লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে দার দেনায় দিশেহারা পরিবারটি। বার বার চেষ্টা করেও ছেলের চিকিৎসায় পায়নি আর্থিক সাহায্য। থানায় নেয়া হয়নি কোন মামলা। ছেলেকে বাঁচাতে মা মোরশেদা বেগম স্থানী জনপ্রতিনিধি এবং সম্পদশালী লোকের আর্থিক সাহায্য কামনা করেন। চা বিক্রেতা শহীদুল্লাহর স্ত্রী আহত টিপুর মা আরও জানান বড় ছেলে মফিজুল দিন মজুর, আহত টিপু ছিল রাজ মিস্ত্রি ও ছোট ছেলে সাইফুল ইলেকট্রিক কাজ করে সংসার চালাত।

ঘটনার দিন টিপু কাজ শেষে বাড়ী ফিরার পথে ভাটেরচর গ্রামের কাশেম, মাহফুজ মেম্বারের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে টিপুকে মাথায় আঘাত শেষে ফেলে যায় বলে টিপুর পরিবার সূত্রে জানা যায়। সে দিন থেকে ছেলেকে নিয়ে মা মোরশেদা বেগমের কান্না আজও থামেনি। টাকার অভাবে ছেলেকে হাসপাতালে না রেখে এখন বাড়ীতে রাখতে হয়েছে। গজারিয়া থানার ওসি হেদায়াতুল ইসলাম জানান আহত টিপুর চিকিৎসার ব্যায় বাবদ টাকা সংগ্রহ করতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ভাটেরচর ও টেংগারচর গ্রামের দায়িত্বশীল কতিপয় ব্যক্তিকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

গজারিয়া আলোড়ন