মাদক নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন সাহসী পুলিশ অফিসার হাফিজ

মুন্সীগঞ্জের একজন মেধাবী, নিরপেক্ষ আর পরিশ্রমী সাহসী পুলিশ অফিসার নাম মো: হাফিজুর রহমান। সকল অপরাধীদের সনাক্তকরন প্রকৃত শক্তির উৎস সহ নিরপেক্ষ ভূমিকায় আদালতে প্রেরন যাদের হাতে ন্যস্ত থাকে তারা হলো পুলিশ বাহিনী। বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রে যদি পুলিশ বাহিনী না থাকতো তবে সে দেশে কখনো আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হতো না। সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে তার কর্মরত এলাকায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছেন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার হাতিমারা পুলিশ ফাঁড়ি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো: হাফিজুর রহমান। তিনি রামপাল, মিরকাদিম বজ্রযোগিনী এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর।

জানা গেছে, সাহসী পুলিশ অফিসার হাফিজুর রহমান পুলিশে যোগদানের পর থেকে সহকর্মিদের নিয়ে রাত দিন কঠোর পরিশ্রম করে ক্রমশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়েছেন বলে জনগনের দাবী। তাছাড়া, একাধিক ভুমিদূস্যতা, দখল-বেদখল, মাদক ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি সহ আইন-শৃংখলা পরিপন্থী কার্যক্রম রাখায় পেয়েছেন পুরুষ্কার।

সম্প্রতিতে তিনি এসআই পদ হতে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি মুন্সীগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি গত দু মাসে গোয়ালঘূর্ণি গ্রামের ফেন্সিডিলের বড় ব্যবসায়ী ৭ মামলার আসামি মো: হাসান, নৈদিঘির পাথরের মাদক ব্যবসীয়দের অন্যতম হোতা ২৬ মামলার আসামী সুমন ওরফে কানা সুমন, নৈদিঘির পাথরের মাদক বিক্রেতা ১০ মামলার আসামি সুজন মিয়া, মাদক বিক্রতা হৃদয়, সায়মন, সুজন, সবুজ, রক্ত ও বাবুসহ আরো অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে চালান দেন।

মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলের বিষয়ে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করছেন এমন এক প্রশ্নের জবাবে ইন্সপেক্টর হাফিজুর রহমান বলেন, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। যারা এই অঞ্চলে মাদক ও সন্ত্রাসে আইন শৃঙ্খলার অবনতি করতে চায় তাদের অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমেও মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরো বলেন মুন্সীগঞ্জ বর্তমান পুলিশ সুপার মো: জায়েদুল আলম পিপি এম স্যার মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এবং সদর থানার ওসি ইউনুস আলী মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন।

আলোকিত মুন্সিগঞ্জ