ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা বাড়ী ঘর ভাংচুর ও লুটপাট: সিরাজদিখান

সুজন: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নে বাসাইল গ্রামে দির্ঘদিন যাবত নুরমোহাম্মদ ও মো.মজিবর খা সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের চলছিল তার ই জের ধরে শুক্রবার দুপুরে গাছ থেকে তাল পাড়া কে কেন্দ্র করে মো.মজিবর খা তাল গাছে আগুন দেয়। এই ঘটনায় নুরমোহাম্মদ ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসায়ী মোঃ মজিবর খাঁ (৫০) কে কুপিয়ে হত্যা করে।

নিহতের ছেলে মো.সাওন ও নিহতের স্ত্রী এলিজা বেগম বলেন, বাসাইল গ্রামের মৃত বাবুল খানের ছেলে নুরু খানের (৩০) সাথে জমি ও বাড়ির ১৫ শতাংশ জায়গার ভাগে পাবে তারা। এর মধ্যে পৌনে দুই শতক জায়গা ভাগে পাবে নুরু। শুক্রবার দুপুরে নুর মোহাম্মদ সাথে কথা কাটা কাটির হয়। পরে চাকু ও চাপাতি নিয়ে মোঃ মজিবর খাঁর বাড়ি আসার অপেক্ষা করতে থাকে। তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মজিবর খা কে মৃত বলে জানান।

এলাকাবাসীরা জানান, দির্ঘদিন যাবত জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল । এ বিষয়ে চেয়ারম্যান ও গণ্যমাণ্যরা কয়েক বার বিষটি সমাধানের চেষ্টা চালায় কিন্তু তারা কোন সমাধান দিতে পাড়েনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি সাথে কথা হলে তারা জানান, শুক্রবারের ঘটনায় মজিবর খা নিহত হলে। তার স্বজনরা ও এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে নুর মোহাম্মদের বাড়ীতে ভাংচুর ও লাটপাট করে । নুর মোহাম্মদের তিন টি বসৎ ঘর রান্না ঘর সহ ৫ টি ঘর ভাংচুর ও লুট পাটের ঘটনাঘটে। নিত্য প্রয়োজনিয় জিনিস ও স্বর্ন, নগদ টাকা সহ কমপক্ষে ৫০ লাক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।এ বিষয়ে নুর মোহাম্মদ এর সাথে যোগাযোগ কারার চেষ্টা করা হলে ও তাদের কওকে পাওয়া জায় নি।

সিরাজদিখান থানার ওসি মোঃ ইয়ারদৌস হাসান জানান, জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মজিবর খাঁ সঙ্গে নুরমোহাম্মদ ও স্থানীয় কয়েকজনের কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে নুর মোহাম্মদ এর বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেছে বলে শুনেছি।

উল্লেখ্য গত শুক্রবার মজিবর খা নিহতের ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় তিন জনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত নামা ১০/১৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দ্বায়ের করে।। তার ই ধারাবাহিকতায় থানা পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে।

স্বাধীনবাংলা২৪