সবুজ সঙ্কেত নয়, মনোনয়নের বিষয়টি সময় হলেই দেখা যাবে-এম ইদ্রিস আলী

জসীম উদ্দীন দেওয়ান : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, মুন্সীগঞ্জ তিন আসনে আওয়ামীলীগের টিকেট পেয়ে কে নির্বাচনের মাঠে থাকছেন? এই বিষয়টি নিয়ে মাস খানেক ধরে এই অঞ্চলের আওয়ামীলীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন। শুধু স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের মন জুড়েই এই প্রশ্ন ছিলোনা। প্রশ্ন ওঠেছে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও।

মুন্সীগঞ্জ তিন আসনের বর্তমান এম পি অ্যাডভোকেট মৃনাল কান্তি দাস ও জেলা অওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মহিউদ্দীন আহম্মেদ এর সম্পর্ক খুব সুখকর না হওয়ায় সর্ব মহলের কাছে এই প্রশ্নের আকারটা আরো বড় হয়ে দানা বেঁধেছে। এই অঞ্চলে আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীর জয়ের ব্যাপারে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে দলীয় কোন্দল।

তাই সবার মনে প্রশ্ন জেগেছে যে, এই আসনে জয় নিশ্চিত করতে দলীয় হাই কমান্ড কি নতুন কোন মেরুকরণ আঁকছেন? জেলা সভাপতি বা বর্তমান এম পির বিকল্প কারো কি খোঁজতে শুরু করেছেন হাই কমান্ড? আর সেই বিকল্প প্রার্থী কি হচ্ছেন এই আসনের সাবেক এম পি এম ইদ্রিস আলী?

সকলের জিজ্ঞাসার ওজন আরো বেশি ভারি হতে শুরু করেছে দীর্ঘদিন পর ১৯ মে যখন এম ইদ্রিস আলী বিদেশ থেকে দেশে এসেই, তিন আসনের সংশ্লিষ্ট নেতা কর্মী ও ভোটারদের সাথে দলীয় ব্যানারে বিভিন্ন কর্মসূচি করে আসছেন। এর ফলে আলোচনার ঝড়টা আরো বেশি গতিশীল করে তুলতে পেরেছেন সাবেক এই এম পি। সাধারণ সকলের মতো জিজ্ঞাসার ভারটা বসত করেছে আমাদের মনেও। এম ইদ্রিস আলীর সাথে কথা বলে বিষয়টা পরিস্কার করার চেষ্টা করেলেও পুরোপুরি মুখ খুলেননি তিনি।

তবে জটপট বলে ফেললেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ। দেশের স্বার্থে আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বিজয়ের কোন বিকল্প নেই। মুন্সীগঞ্জ তিন আসনে দলের জয় নিশ্চিত করতে তিনি কর্মীদের চাঙ্গা করতে মাঠে নেমেছেন।

তবে মনোনয়নের ব্যাপারে দল থেকে সবুজ সংকেত পেয়ে মাঠ গুছাচ্ছেন কিনা? জানতে চাইলে এম ইদ্রিস আলী বলেন, সে প্রসঙ্গটা আপাতত থাকনা। সেটা সময় হলেই দেখা যাবে। দল থেকে যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে, তার পক্ষেই সকলে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন সাবেক এই এম পি। তবে মনোনয়ন পেলে নিজে ভালো করার আশা রাখেন ক্লিন ইমেজের এই রাজনীতিবিদ। তাঁর আমলে চরাঞ্চলে যে শান্তি বিরাজ করেছিলো সে বিষয়টি তিনি মনে করে দিতে কার্পন্য করেননি। ভবিষৎতে তিনি এই আসনের ক্ষমতা পেলে চরাঞ্চলের শান্তি আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা থেকে একটুও পিছাবেন না বলে জানান, এম ইদ্রিস আলী।