শিমুলিয়া ঘাট থাকবে চাঁদামুক্ত, কষ্টের পরিবর্তে সাশ্রয় ও সেবা

শিমুলিয়া ঘাট থাকবে চাঁদামুক্ত। রমজান ও ঈদে নির্বিঘ্নে পারাপার নিয়ে লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা সভা হয়েছে। শনিবার দুপুরে শিমুলিয়া ঘাট বিআইডব্লিউটিসির অফিস প্রাঙ্গনের এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এমপি।

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপত্বিতে আলোচনায় অংশ নেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম পিপিএম, নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, র‌্যাব-১১ কোম্পানি কমান্ডার মো. ইকবাল হোসেন, শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন, বিআইডব্লিউটিসির এজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ, মাওয়া বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন আহম্মেদ, লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর চৌধুরী প্রমুখ। লৌহজং উপজেলা প্রশাসন এই সভার আয়োজন করে।

সভায় অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এমপি বলেন, শিমুলিয়া ঘাটে কোন প্রকার চাঁদাবাজি বরদাস্ত করা হবে না এবং যাত্রী সাধারণকে জিম্মি করে যদি কোন পরিবহন মালিক অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নিরুর্দ্দেশ দেন। তিনি আরো বলেন, স্পিড বোটেও যেনো অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করা হয় এবং নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা হয় সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নজর রাখতে নির্দেশ দেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ঈদে যাত্রী নিবিঘ্নে পারাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রীরা যাতে কোনভাবে হয়রানির শিকার না হয় প্রশাসন তা বিশেষ নজরদারী করবে। সিবোর্টে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট থাকতে হবে। কোন প্রকার চাঁদাবাজি সহ্য করা হবেনা। তিনি পবিত্র রমজান ও ঈদে মানুষেকে কষ্ট না দিয়ে বরং বেশী বেশী সেবা এবং সাশ্রয় দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, শিমুলিয়া ঘাট বেশ কিছুন ধরেই চাঁদাবাজমুক্ত। ইতোপূর্বে যারা এই ঘাটে চাঁদাবাজির সাথে জড়িত ছিলো তাদের ঈদের সময় ঘাটে দেখলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন নেতাই কোন অনুরোধ নিয়ে আসবেনা। এই ঘাট আগামী দিনগুলোতেও সম্পূর্ণ চাঁদামুক্ত থাকবে। আর রোজা ও ঈদের কারণে সম্ভব হলে ভাড়াওসহ সবকিছুতে সাশ্রয় এবং সেবা বৃদ্ধির উপর তাগিদ দেন।

জনকন্ঠ