তিন পক্ষকে ওসির হুঁশিয়ারি: টঙ্গীবাড়িতে ফের উত্তেজনা

ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বাড়ি ভাংচুর ও উপজেলা যুবদলের সভাপতিকে মারধর করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির দীঘিরপাড় বাজারে খান গোষ্ঠী ও মোল্লা গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাজারের দোকানপাট বন্ধ করে ফেলেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় খান গোষ্ঠী বনাম হাওলাদার ও মোল্লা গোষ্ঠীর সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। হাওলাদার ও মোল্লা গোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধাওয়া দিলে অবস্থা বেগতিক দেখে খান গোষ্ঠীর লোকজন পিছু হটে।

পরে টঙ্গীবাড়ি থানার ওসি মো. আলমগীর হোসাইনের নেতৃত্বে পুলিশের হস্তক্ষেপে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জগলুল হাওলাদার ভুতুর ভূমিকার কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ সময় ওসি ওই তিন পক্ষকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না করতে কঠোরভাবে হুঁশিয়ার করেন। বুধবার রাতে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা যুবদলের সভাপতি শামিম মোল্লাকে মারধর করে খান গোষ্ঠীর লোকজন।

এর জেরে প্রতিপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. অলিউল্লাহ খানের বাড়ি ভাংচুর করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে খান ও মোল্লা গোষ্ঠী বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। বুধবার দুপুরে আধিপত্য নিয়ে হাওলাদার ও খান গোষ্ঠী বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। ফলে দীঘিরপাড় বাজার এলাকায় তিন গোষ্ঠী বিরোধে জড়িয়ে পড়ায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোনো সময় সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে।

দীঘিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর আলম রাতে সমকালকে জানান, পুলিশি অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। শুক্রবার সকালে তিন গোষ্ঠীর নেতাদের ডেকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চেষ্টা চালানো হলে কোনো পক্ষকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোরভাবে হুঁশিয়ার করে দেন ওসি মো. আলমগীর হোসাইন।

সমকাল