জন দুর্ভোগ চরমে কুচিয়ামোড়া-সৈয়দপুর সড়কে

সুলতানা আখতার: মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানের কুচিয়ামোড়া-সৈয়দপুর সড়কের বেহাল দশা, জন দুর্ভোগ চরমে রূপ নিয়েছে যেন দেখার কেউ নেই। কুচিয়ামোড়া হতে সৈয়দপুর পর্যন্ত ৫ কি: মি: পাকা রাস্তাটির এখন বেহাল দশা। বর্ষণ শুরু হলেই জনদুর্ভোগের কেন্দ্রে পরিণত হবে এমনটি যেন স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবছরই দেখা যায় এই একই চিত্র যা উদ্বেগজনক। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো এর পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ পদক্ষেপও পরিলক্ষিত হয়নি। ফলে অপরিকল্পিত রাস্তা তৈরী, বৃষ্টির পানি বের না হতে পারা, জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে ক্রমেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা আর তার ফলে নেমে আসছে জনদুর্ভোগ।

সম্প্রতি ২ দিনের টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে প্রায় ১৫ টি গ্রামের মানুষ। ব্যাহত হয়েছে যানবাহন চলাচল। দেখা দেয় দুর্ভোগ এবং একই সঙ্গে কর্মস্থলে যাওয়া-আসায় সৃষ্টি হয়েছে বিড়ম্বনা এবং স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে। এই পরিস্থিতিতে এটা স্বাভাবিকভাবেই বলা যায় যে, বৃষ্টির পানিকে কেন্দ্র করেই এই দুর্ভোগ।

এ রাস্তাটির প্রায় ২ কি : মি. এলাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ১ টি কামিল মাদ্রাসা, ১ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়য, ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২ টি কিন্ডার গার্টেন, ১টি হাফেজি মাদ্রাসা রয়েছে। আর এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জমে থাকা পানির মধ্যে দিয়ে ঝুকি নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। কখনও কখনও জমে থাকা পানির নীচে খানাখন্দে পড়ে গিয়ে জামা-কাপড় ভিজিয়ে শিক্ষার্থীকে বাড়িতে ফিরে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি কাজ হয়েছে খুব নিন্ম মানের। যে কারনে অনেকগুলি গর্তের সৃষ্ঠি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই জনজীনে চরম দুর্ভোগ নেমে আসে। তাছাড়া পরিকল্পনা মত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না রাখায় সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি এখন পানির নীচে চলে যাচ্ছে। ফলে জনসাধারণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করছে।

গাড়ী চালক মনির হোসেন জানান, প্রতিবছরই এখানে জলাবদ্ধতা হয় আর ঝুকি নিয়ে মানুষকে চলতে হয়। উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুর রহমান জানান, এটি অতিগুরুত্বপূর্ণ সড়ক, তবে শিঘ্রই রাস্তাটুকু সংস্কারের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ক্রাইম ভিশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *