মিরকাদিম পৌর মেয়র শাহিন জাপানে সংবর্ধিত

রাহমান মনি: মিরকাদিম পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র শহিদুল ইসলাম শাহিন কে জাপানে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। জাপানস্ত মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সোসাইটি তাঁকে এই বিরল সংবর্ধনা দেয়। একই সাথে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে মুন্সিগঞ্জের সন্তান একদা জাপান প্রবাসী ছিলেন, মোঃ রুবেল হোসেন মনজুকেও।

সংবর্ধনা আয়োজন উপলক্ষে টোকিও’র একটি হালাল চায়নীজ রেস্তোরায় শতাধিক মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর বাসী উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগরের সমাজসেবী মোঃ খায়রুল আলম এবং সিরাজদিখান উপজেলার ফিরোজ চাকলাদার। তারা বর্তমানে জাপান সফর করছেন।

সান্ধ্যকালীন এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সোসাইটির জাপান’র সভাপতি বাদল চাকলাদার। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মোঃ নাজমুল হোসেন রতন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিচিতি পর্ব শেষে মোঃ রুবেল হোসেন মনজুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সভাপতি বাদল চাকলাদার এবং মেয়র শহিদুল ইসলাম শাহীনকে ফুল দিয়ে বরন করে নেন সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি নুর-এ আলী (নুর আলী)।

এরপর অতিথিদের জাপানে স্বাগতম জানিয়ে এবং মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাখাত উন্নয়নে জাপান প্রবাসী মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর বাসীদের ভূমিকা নিয়ে গঠনমুলক বক্তব্য রাখা হয়।

সংবর্ধনার জবাবে মেয়র শাহিন বলেন, আজ প্রবাসে এসেও আমি আমার জেলাবাসীদের পক্ষ থেকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলাম তা আমার জীবনে একটি মাইল ফলক হয়ে থাকবে। আপনাদের কাছ থেকে যে সব গঠনমূলক প্রস্তাব আমি শুনলাম, তা কাজে লাগিয়ে আমি আমার এলাকাসহ জেলা তথা বাংলাদেশবাসীর কানে পৌঁছাতে এবং বাস্তবেও তার প্রতিফলন ঘটাতে সাধ্যমতো চেষ্টা করব। আমার গর্ব যে, আমি মুন্সিগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহন করেছি। এখানকার মাটি যেমন উর্বর তেমনি এখানকার জনগনও উচু মনের অধিকারী। বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক না কেন তারা এলাকার জন্য, দেশের জন্য কিছু একটা করতে চান, দেশের কথা ভাবেন, আপনাদের এই মন মানষিকতাকে আমি সাধুবাদ জানাই।

এরপর সভাপতি বাদল চাকলাদার ২০০৭ সালে জন্ম নেয়া সংগঠনটির বিস্তারিত তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, জাপানে জন্ম নেয়া এই সংগঠনটি যে কেবল মাত্র নিজ জেলা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে তা কিন্তু নয়। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তেই কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের পার্শ্বে তাৎক্ষনিক দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়াচ্ছে। ইতিমধ্যে তা মিডিয়াতেও এসেছে। তবে, আমাদের লক্ষ্য সর্বাগ্রে নিজ জেলাবাসীদের জন্য গঠনমূলক কাজ করা।

সবশেষে নৈশভোজের মাধ্যমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

rahmanmoni@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *