পাঁচঘড়িয়াকান্দির মরা খালটি ভরা যৌবনে ফিরালেন পৌর মেয়র

মুন্সীগঞ্জের পৌরসভার পাঁচঘড়িয়াকান্দির সামনের মরা খালটি তার চির চেনা রুপে ফিরছে। পাঁচঘড়িয়াকান্দির এ মরা খালটি ভরা যোৗবনে ফিরিয়ে আনতে পৌর মেয়র নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যেখানে মুন্সীগঞ্জে খাল, নদী, নালা, পুকুর ভরাট চলছে যা এক সময় মুন্সীগঞ্জের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হবে। এসব বিষয় উপলব্ধি করে মুন্সীগঞ্জের পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব নিজ উদ্যোগে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাঁচঘড়িয়াকান্দির খালটির পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে খালটির চির চেনা রুপ ফিরিয়ে আনতে কাজ হাতে নিয়েছেন।

পৌর মেয়র ফয়সাল বিপ্লব পৌরসভার ফান্ড থেকে বাজেট করে এই খালটি পুন:উদ্ধারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি নিজে খালটি পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ পরিদর্শণ করেন। ৯দিন যাবৎ খালটির ময়লা আবর্জনা এবং পানি নিষ্কাশনে যাতে কোন বাধা গ্রস্থ না হয় সে বিষয়কে সামনে রেখেই তিনি এই খাল উদ্ধারে নেমেছেন। পৌরসভার উপ-সহকারি প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান অটল বলেন, খালটির ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করতে ৭ থেকে ৮লাখ টাকার প্রয়োজন ছিল কিন্তু পৌর মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের নিজ উদ্যোগে অর্থ ব্যায় করে নারায়নগঞ্জ থেকে ভেকু ভাড়া করে খালটির ময়লা আবর্জনা ও খালটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করছেন। আগামী ৬ দিন পরে খালটি তার তার চির চেনায় রূপান্তরিত হবে।

পাঁচঘড়িয়াকান্দির মাঝ বরাবর তিনি খাল পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ পরিদর্শণকালে পৌর মেয়র ফয়সাল বিপ্লব মুন্সীগঞ্জের কাগজকে বলেন, আমার চাচা খালেকুজ্জামান খোকা চেয়ারম্যান পৌরসভার কাজ করে যে সুনাম অর্জন করেছিলেন সেই সুনাম যাতে পুন:প্রতিষ্ঠা করতে পারি তার ভাতিজা হিসেবে সেই চেষ্টা আমি করে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, লোকজন খাল, ডোবা, নালা ভরাট করে বাড়ি বানায় যা ভাবতে অভাগ লাগে। পৌর বাসীর সুবিধার্থে খালটি পুন:উদ্ধারের চেষ্টা করছি যার সুফল সবাই পাবে। এই খাল দিয়ে পানি নিষ্কাশন হয়ে পৌরসভাকে বন্যা মুক্ত রাখতে সহায়ক হয়।

এনবিএস