সিরাজদিখানে সন্ত্রাসী হামলায় আর এক ছাত্রলীগ নেতা চমক গুরুতর আহত

সিরাজদিখানের কোলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চমকে সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর লিয়াকত তাকে উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসলেও সেখানেও তার বাবা মাকে সন্ত্রাসীরা লাঞ্চিত করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা চমককে উদ্ধার করতে আসা চমকের ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আলমগীর হোসেনকেও মারপিট করে।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় এঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানায় এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী নাহিদ ও তানভিরের নেতৃত্বে প্রায় ২০জন সন্ত্রাসী কোলা পোষ্ট অফিস এলাকার মেইন রোডে ছাত্রলীগ নেতা চমকে পেয়ে হামলা চালায়। সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত চমককে উদ্ধার করে চেয়ারম্যান লীয়াকত আলী ইউনিয়ন পরিষদের একটি রুমে আটকিয়ে রাখে এ সময় সংবাদ পেয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনীক সম্পাদক সাব্বির হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সৌকত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু চোকদার তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়।

এলাকাবাসী জানায় ছাত্রদল থেকে ছাত্রলীগে যোগদান করেই সন্ত্রাসী বিদুৎ মোল্লা ছাত্রলীগের নেতাদের দল থেকে সরে যাওয়ার জন্য পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। আহত চমক বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।

চমকের বাবা রহমান আমিন জানিয়েছে, চমকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসীদের এলোপাথারি পিটুনীতে রক্ত জমে আছে, মাথায়ও আঘাত পেয়েছে। সে সন্তানের জীবন রক্ষায় সকলের দোয়া প্রার্থনা করেছেন। এছাড়া সন্ত্রাসীরা চমকের পরিবারকে অব্যহত হুমকী দিয়ে বলছে থানায় মামলা করলে তাদের যেখানেই, যাকে পাওয়া যাবে সেখানেই নির্মম ভাবে হত্যা করা হবে। এ ঘটনায় চমকও তার পরিবারের সদস্যরা থানায় আইনের আশ্রয় নিতেও পারছেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু চোকদার জানান, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটু মারামারি হয়েছে। তবে সেটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি আমরাই মিমাংসা করে দিয়েছি। এক জায়গায় চলতে গেলে এ ধরনের একটু আকটু ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার্স ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসান জানান, এ ধরনের কোন ঘটনার খবর আমরা পাইনি। কেউ কোন অভিযোগ থানায় নিয়ে আসেনি বা মোবাইলেও জানায়নি।
উল্লোখ্য গত বছরের একই দিন ঐ স্থানেই সন্ত্রাসীরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পরে আসিফ জেলখানায় বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।

এনবিএস