টঙ্গীবাড়ীতে ট্রাক ও অটোরিক্সায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি

টঙ্গীবাড়ী বাজার দিয়ে যাতায়তকারী অটোরিক্সা থেকে চলছে রমরমা চাদাঁবাজি। দিন দিন এই চাঁদাবাজির পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ওই সমস্ত গাড়ির চালক ও মালিক পক্ষ। টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তর থেকে মুন্সীগঞ্জ সদর ও ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের একমাত্র এই রাস্তা টঙ্গীবাড়ী বাজার হয়ে যাতায়ত করতে হয় এই অঞ্চলের মানুষদের।

একদিকে এই রাস্তাটির মধ্যে তিব্র যাটজট সব সময় লেগে থাকে। এই রাস্তার অসাধু লাইন ম্যানরা রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে চাদাঁবাজির কারনে অধিকাংশ সময়ই লম্বা যানজটের সৃষ্টি হয়।

এই রাস্তায় আটো চালান এমন কতিপয় চালক জানান প্রতিদিন ৬শত টাকা মালিককে জমা দিতে হয় বাকী ২শত থেকে ৩শত টাকা নিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে কোন রকম জীবন বাচাই আমরা।
আমাদের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এই টঙ্গীবাড়ী বাজার দিয়েই যেতে হয় আমাদের। আর এই বাজার দিয়ে অটো চালাতে গিয়ে কিছু অসাধু লাইন ম্যান নামে চাঁদাবাজদের ৪০ থেকে ৫০টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে মারধর বা গাড়ী ভাংচুর বা চাকার লিক করে দেয় । যার কারনে অসহায় হয়ে তাদেরকে টাকা দিতে হয়। দেশের অন্য কোন স্থান থেকে ট্রাক বা অন্য কোন পরিবহন আসলে গাড়ী থেকে ৫০ থেকে ১০০শত টাকা চাঁদা দিতে হয়। অটোবাইক চালক নূর নবী জানান আমরা অসহায় গরীব মানুষ মা-বাবা আর সন্তানের পেটে দু’মুঠো ভাতের জন্য অন্যের গাড়ী ভাড়া চালাই, রাস্তায় গাড়ী বেশি হওয়ায় কামাই রোজগার তেমন হয় না। লেখাপড়া করি নাই বড় চাকরি পামু কই।

দিন শেষে খাবারের টাকা যোগাতেই হিমসিম খাচ্ছি তার মধ্যে লাইনের লাইন ম্যানেরা চাদাঁর জন্য চরথাপ্পর, গাড়ীর চাকা পানচার, লোহার রড দিয়ে এলোপাথারি ভাবে আঘাত ও গালিগালাজ করে। আর ভাল লাগে না কথা গুলো বলতে গিয়ে কেদেঁ ফেলেন ওই গাড়ী চালক । এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হুসাইন জানান এই ব্যপারে থানায় অভিযোগ হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিক্রমপুর চিত্র