টংগিবাড়িতে সরকারী গাছ কাটলেন ইউপি সদস্য, প্রায় অর্ধমাস গেলেও নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা!

জসিম উদ্দিন দেওয়ান: মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ি উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া পালবাড়ি এলাকায় সরকারী জায়গা থেকে নিম ও মেহগনি নামের সরকারী দুটি গাছ কেটে নিয়েছেন ইউনিয়নটির ৫ নং ওর্য়াড সদস্য মো: শরীফ হোসেন ও তাঁর ভাই দিদার হোসেন। গাছ দুটির খন্ডিত অংশ উদ্ধার করে ইউনিয়ন ভুমি অফিসের একটি কক্ষে রেখেদেন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা। সোমবার পর্যন্তু ঘটনার ১৩ দিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়নি উল্লেখ করার মতো কোন ব্যবস্থা।

তবে ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম গাছ কাটার দিন ২৯ মার্চ সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভুমি সহকারী কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর সদয় অবগতি এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। যেখানে রফিকুল ইসলাম সুকৌশলে মেম্বার শরীফ হোসেনের নাম বাদ দিয়ে শুধু দিদার হোসেন গাছ কেটেছেন বলে উল্লেখ করে গেছেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতক্ষ্যদর্শী জানান, ২৯ তারিখ সকাল সাড়ে ৮ টার সময় শরীফ মেম্বার ও দিদার হোসেন দাঁড়িয়ে থেকে লোক দিয়ে সরকারী গাছ কাটাচ্ছিলেন, প্রত্যক্ষ দর্শীদের মধ্যে একজন এই ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে মুঠো ফোনে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে জানান। তবে ইউনিয়ন ভূমি সহকারীর প্রতিবেদনে শরীফ মেম্বারের নাম বাদ দেবার বিয়ষটিতে তাঁরা বিস্ময় প্রকাশ করেন।

স্থানীয় আওয়ামীলীগের একাধিক নেতা এই ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে বলেন, গাছ কাঁটা হয়েছে শরীফ মেম্বারের কথায়, দিদারের পক্ষে সরকারী গাছ কাটার সাহস হবেনা। এটা প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করার চেষ্টা বলেও মনে করেন তাঁরা। প্রতিবেদন থেকে শরীফ মেম্বারের নাম বাদ দিয়েছেন কেন ? জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম সুষ্পষ্ট কোন জবাব দিতে না পারলেও তিনি জানান, শরীফ মেম্বার খারাপ লোক। সে সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করে থাকেন। এই ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়টি কোন পর্যায়ে রয়েছে টংগিবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শহিদুল হক পাটোয়ারীর কাছে জানতে চাইলে, ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান তিনি।

Comments are closed.