‘মাইরা তালা দিয়া রাখছি, উদ্ধার করগে’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক শ্রমিকের বিরুদ্ধে মো. ফাহিম (২৪) নামে আরেক শ্রমিককে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় ফাহিমকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফাহিমের সহকর্মী আলামিন বলেন, ‘কাজ শেষে রাতে কারখানায় ফাহিম ও সোহাগ একসঙ্গেই ঘুমাতো। গভীর রাতে হঠাৎ সোহাগ আমাকে ফোন করে বলে, ‘ফাহিমরে মাইরা তালা দিয়া রাইখা আসছি, উদ্ধার করগে।’

কারাখানা মালিকের চাচাতো ভাই শহীদুল্লাহ জানান, রাতে শ্রমিকদের ফোন পেয়ে কারখানার তালা ভেঙে রক্তাক্ত অবস্থায় ফাহিমকে উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। প্রথমে তাকে স্থানীয় ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পর সোহাগ পালিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত ফাহিম মুন্সীগঞ্জ সদরের কাগজীপাড়া এলাকার ইলিয়াস মিয়ার ছেলে। সে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কাশীপুর এলাকার বড় মসজিদ সংলগ্ন রূপায়া ফ্যাশনের গেঞ্জি কারখানার অপারেটর হিসেবে কাজ করতো। রাতে সহকর্মী সোহাগ তাকে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কারাখানার মালিক রাশেদ শিকদার ফাহিমকে ঢামেকে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শ্রমিকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *