মুন্সীগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ ১ জন কর্মকর্তার কাছে জিম্মি !

মুন্সীগঞ্জ পল্লীবিদ্যতের জি.এম মাহবুবুর রহমান।গত প্রায় ৪ বছরের মাঝে বেশিরভাগ সময়ই মুন্সীগঞ্জের দায়ীত্বে রয়েছেন। বিআরইবি’র নিয়ম অনুযায়ী ৩ বছর একই স্থানে দায়ীত্ব পালনের কথা থাকলেও সে বিআরইবি’র চেয়ারম্যানের সাথে বিশেষ লবিংয়ের মাধ্যমে এখনও মুন্সীগঞ্জেই বহাল আছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন পল্লীবিদ্যুৎ এর একাধিক শ্রমিক নেতা।

তাদের অভিযোগে জানা যায়, তিনি জাতীয় শ্রমিকলীগের অন্তর্ভুক্ত পল্লীবিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী লীগের ঘোর বিরোধী। শ্রমিকলীগের হয়ে কাজ করার অপরাধে তিনি তার সমিতির মোঃ লুৎফর রহমান, মোঃ রেজাউল করিম, মোঃ হাসিনুর রহমান বাবলু সহ প্রায় ১৭ জনকে পানিসমেন্ট হিসেবে বদলী করেন।

এছাড়া জি.এম এর জুনিয়র হওয়া সত্ত্বেও বিআরইবি’র চেয়ারম্যানের সাথে বিশেষ সম্পর্ক থাকায় সিনিয়রদের টপকিয়ে তার পদবীর সাথে সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজারের তকমা আদায় করে নিয়েছেন। এমনকি স্থানীয় প্রশাসন ও কর্মচারীদের বলে বেরান- তার প্রচেষ্টায় মুন্সীগঞ্জে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক কাজ হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শ্রমীক নেতা দাবী করেন, বর্তমানে আওয়ামীলীগ সরকার বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে ব্যাপক অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছেন। আর আগামী দিনগুলোতেও পরিকল্পনার আলোকে বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয় মুন্সীগঞ্জকে মডেল হিসাবে বেছে নিয়েই এই সমিতিতে বিপুল পরিমান অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে বিদ্যুতের নতুন প্রকল্পগুলো চালু করছে। অথচ সে এখানে আওয়ামীলীগ সরকারের অবদানকে মলিন করছে নিজেকে জাহির করে।

তারা আরো বলেন, মুন্সীগঞ্জের এই বিপুল অর্থ বরাদ্দের কাজ গুলোই তাকে একই স্থানে ৩ বছরের অধীক সময় থাকার উৎসাহ যোগাচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে একাধিক কর্মচারীর কাছে শোনা যায়, মুন্সীগঞ্জের দায়ীত্ব পাওয়ার বছরখানেক পর তিনি ঢাকার কাঁঠাল বাগান বা তার পার্শবর্তী এলাকায় কোটি টাকা মু্ল্যের ফ্ল্যাট কিনেছেন।

তার আচরন আওয়ামীলীগ বিরোধী হবে এটাই সাভাবিক। কারণটা হল তিনি যুদ্ধাপরাধী মামলার মৃত্যু দন্ড কার্যকর হওয়া আসামী জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারী আলীহাসান মুহাম্মদ মুজাহিদের রক্তের সম্পর্কে আত্মীয়।

বিআরইবি’র চেয়ারম্যানের সাথে বিশেষ সম্পর্ক থাকায়, পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ জি এম এর খেতাবটিও আদায় করে নিয়েছেন।

পল্লীবিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ এর মুখপাত্র তরিকুল ইসলাম বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড আরো বেগবান বা গতিশীল করতে এসকল কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠান, দেশ ও জাতির জন্য মারাত্মকভাবে ভীতির কারণ হয়ে ওঠার আগেই এদের বিষয়ে সরকার সহ যথাযথ কতৃপক্ষের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহন উচিত বলে মনে করছেন সবাই।

ঢাকারনিউজ

Comments are closed.