পানামের তাসলিমাকে পল্লবীতে হত্যার অভিযোগ

রাজধানীর পল্লবীতে তাসলিমা বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সকাল ৯টায় পল্লবী থানাধীন মিরপুর-৭ নাম্বারের বাকেরের গলির একটি সেমিপাকা বাসা থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায় পারিবারিক কলহের জের ধরে তাসলিমা বেগমের স্বামী নূরুল ইসলাম তাকে হত্যা করেছে।

নিহতের বড় ভাই মো: হাবিব জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পানাম এলাকায়। বাবার নাম মরহুম ওসমান গনি। প্রায় ১৬ বছর আগে নূরুল ইসলামের সাথে তাসলিমার বিয়ে হয়। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে তারা পল্লবীর ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। তবে তাদের ওই তিন সন্তান গ্রামের বাড়িতে নানীর কাছে থাকত। হাবিব জানান, গতকাল সকালে ওই বাসার অন্য লোকজন তাকে ফোনে বলেন তাসলিমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে তার স্বামী পালিয়েছে। আপনারা দ্রুত ঢাকায় আসেন। পরে তারা ঢামেকে গিয়ে তাসলিমার লাশ শনাক্ত করেন। হত্যার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, সংসারের টুকিটাকি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে তবে শেষবার ঠিক কি বিষয় নিয়ে তাদের ঝগড়া হয় সে বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।

পল্লবী থানার ওসি দাদন ফকির বলেন, তাসলিমা একটি গার্মেন্টে চাকরি করতেন এবং তার স্বামী নূরুল আলম রিকশা চালাত। ধারণা করা হচ্ছে, গত শনিবার রাত ১২টা থেকে গতকাল ভোর পর্যন্ত যেকোনো সময় পারিবারিক কলহের জের ধরে তাসলিমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে নূরুল ইসলাম। পরে সে বাইরের থেকে দরজায় ছিটকিনি দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর গতকাল সকালে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়।

নয়াদিগন্ত

Comments are closed.