হরগঙ্গা কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি পদে আসার সম্ভাবনা রাফির

সরকারি হরগঙ্গা কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি নিবির আহম্মেদ বিদেশ চলে গেছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। মামলা ও গ্রেফতার এড়াতে নিবির বিদেশে চলে যেতে পারেন বলে অনেকেই ধারণা করছেন। অনেকে জানিয়েছেন যে সে কাতার চলে গেছেন। এক্ষেত্রে অনেকের অভিযোগ হচ্ছে যে, অস্ত্র ও মাদক মামলা থাকা সত্বেও কিভাবে নিবির দেশ থেকে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে কিভাবে বিদেশে পালাতে পারলো। তার বিরুদ্ধে এর আগেও পাঁচঘরিয়া কান্দিতে একটি হত্যা মামলায় নিবির জামিনে রয়েছেন। এতা কিছুর পরেও নিবির কিভাবে দেশ থেকে পালিয়ে গেল।

সরকারি হরগঙ্গা কলেজের ছাত্রবাস থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের পর থেকে ক্যাডারের সাথে জড়িত ছাত্ররা কলেজে যাতায়াত কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে কিছুটা আটক কিংবা গ্রেফতারের আতংক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী ছাত্রবাসে থাকতেও চাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

কোন বরাদ্দ ছাড়াই নিবির ও তার দলবল ছাত্রবাসের কয়েকটি কক্ষ দখল করে ব্যবহার করছিলো শোনা যাচ্ছে। যেসব কক্ষ থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার হয়েছে সে গুলো কোন ছাত্রের নামেই বরাদ্দ ছিল না। তা হলে হল সুপার কি করছিলেন তা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে?

কলেজের ডামি রাইফেল কয়েক বছর আগে হারিয়ে গেলে তা থানায় জিডি করা হয় বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া রাইফেল পরে সেই ছাত্রবাস থেকেই উদ্ধার হল। এই নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কলেজের ছাত্রবাসে শতাধিক শিক্ষার্থী থাকতে পারলেও সেখানে রয়েছে মাত্র ৩০জন শিক্ষার্থী। নিবিরের চাঁদাবাজির ভয়ে অনেকেই ছাত্রাবাসে থাকতে চায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বেশি টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীরা কলেজের আশপাশে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষের দেখা উচিত বলে অনেক অভিভাবক মনে করেন। কিন্তু সময়ের সাথে কলেজ কর্তৃপক্ষ গা বাসিয়েছেন। যার কারণে কলেজের বর্তমান অবস্থা ত্রাহি।

নিবিরের আত্ন গোপনের কারণে কলেজের দায়িত্বে আসতে চাচ্ছে রাফি নামের আরেক ছাত্র নেতা। সে আ’লীগের হাই কমান্ডের দরবারে তদবির সুবজ সংকেতের অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। দক্ষিণ ইসলামপুরে আল আমিন গংরা নিবিরের সহযোগিতায় কলেজের ছাত্রাবাস এলাকায় মাদকের বড় বড় চালান খালাস ও মজুদ করে ব্যবসা করতো বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর বিনিময়ে নিবির আল আমিনের কাছ থেকে মাসে ৫০ হাজার টাকা পেতো বলে শোনা যাচ্ছে।

Comments are closed.