চূড়ান্ত লাইসেন্স পেল আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল

এখন জমি ইজারা বা বিক্রির চুক্তি করা যাবে
বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরীর হাত থেকে আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলের চূড়ান্ত লাইসেন্স গ্রহণ করছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মাইনুদ্দিন​ মোনেমদেশের দ্বিতীয় বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল। ১৪২ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে জাপান, চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছেন।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) গতকাল মঙ্গলবার আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলের চূড়ান্ত লাইসেন্স দেয়। এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় অবস্থিত। তারা ২০১৫ সালের জুন মাসে প্রাক্-যোগ্যতা লাইসেন্স পেয়েছিল। শুরুতে ১৪২ একরের ওপর এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এটিকে ৪০০ একরে উন্নীত করার পরিকল্পনা আছে আবদুল মোনেম লিমিটেডের। এতে তারা ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে।

চূড়ান্ত লাইসেন্স পাওয়ার ফলে আবদুল মোনেম লিমিটেড এখন তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে জমি ইজারা বা বিক্রির চুক্তি করতে পারবে। অন্যদিকে যাঁরা সেখানে বিনিয়োগ করবেন, তাঁরা এখন কর ছাড়সহ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য সরকার ঘোষিত বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন। জানা গেছে, এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পোশাক ও বস্ত্র, মোটর-যন্ত্রাংশ সংযোজন, খাদ্য, প্যাকেজিং ইত্যাদি খাতে বিনিয়োগের জন্য জাপান, চীনসহ বিভিন্ন দেশের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

বেজার কার্যালয়ে গতকাল মঙ্গলবার লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সংস্থাটির নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে দেশের সেরা অর্থনৈতিক অঞ্চলের একটি।

আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মাইনুদ্দিন মোনেম বলেন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভাড়া বিবেচনা করেই এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভাড়া ঠিক হবে। যাতে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আসে।

বেজা এখন পর্যন্ত ১৩টি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলকে প্রাক্-যোগ্যতা লাইসেন্স দিয়েছে। এর মধ্যে মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রথম চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছিল।

প্রথম আলো

Comments are closed.