দরজা ভেঙ্গে স্কুল ছাত্রী ও তার মাকে কুপিয়ে জখম

টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বানারী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী রোজিনা (১৬) ও তার মা সালেহা বেগমকে (৪৫) কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। তাদের গুরতর আহতাবস্থায় টঙ্গীবাড়ি ইউনাইটেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাতে ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় গুরুতর অবস্থায় তারা ওই হাসপাতালের ২১৫নং কেবিনে ভর্তি রয়েছে। আহতরা হাসাইল গ্রামের জামাল শিকদারের স্ত্রী এবং মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসাইল গ্রামের জামাল শিকদারের বসত বাড়ি ৫/৬ বছর আগে নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেলে সে পার্শ্ববর্তী ডাইনগাও গ্রামে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। জমি সক্রান্ত বিষয় নিয়ে জামাল শিকদারেরর স্ত্রী সালেহা বেগমের সাথে তার প্রতিবেশী ফালান ব্যাপারীর সাথে কথা কাটাকাটি হয়।

পরে ফালান ব্যাপারী এ বিষয়টি তার ছেলেদেরকে জানালে তার ছেলে আব্বাস, কাশেম, আবু-সায়েদ ও শাহ-আলী শুক্রবার রাতে জামাল সিকদারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে জামাল সিকদারের স্ত্রী ছালেহা বেগম(৫০) ও জামাল সিকদারের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে রোজিনাকে (১৬) ছুরি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এসে তাদেরকে টঙ্গীবাড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্মরত চিকিৎসক তাদেরকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। পরে সদর হাসপাতাল থেকে তাদের টঙ্গীবাড়ি ইউনাইটেড ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। জামাল সিকদার জানান, এ ঘটনায় আমি টঙ্গীবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে স্থানীয় মেম্বার নুরে আলম মাল আমাদের তার সাথে কথা বলে পরে মামলা করবা বলে থানা হতে নিয়ে আসে।

জনকন্ঠ