লৌহজংয়ে গুণীজন সম্মাননা

লৌহজংয়ে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজন সম্মানা দেয়া হয়েছে। শনিবার লৌহজং কলেজ প্রাঙ্গনে ব্যতিক্রম আয়োজনে ১শ’৬৪ জন কৃতি শিক্ষার্থী ও চার গুণীজন এবং এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। অগ্রসর বিক্রমপুর ফউন্ডেশনের লৌহজং কেন্দ্রর এই আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিনি এমিলি এমপি। প্রধান বক্তা হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন ফাউন্ডেশনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. নূহ-উল-আলম লেনিন।

ফাউন্ডেশনের লৌহজং কেন্দ্রের সভাপতি মো. কবির ভূইয়ার সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লৌহজং উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ওসমান গণি তালুকদার, লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, লৌহজং কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোজাম্মেল হক, ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, উপজেরা ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বেপারী, ফাউন্ডেশনটির প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান হান্নান ও ফাউন্ডেশনের লৌহজং কন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। এইচএসসিতে ৯ জন, এসএসসিতে ২০, জেএসসিতে ৩৯ পিএসপি-তে(টেনেল্টপুল) ৩২ ও পিএসসি সাধারণে ৬৪ সহ লৌহজং উপজেলার মোট ১৬৪ কৃতির মাঝে বই ও সংবর্ধনা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এছাড়া প্রবীন সফল শিক্ষক রওশন আরা বেগম, সফল শিক্ষক হিসাবে কলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহাঙ্গীর সারোয়ার, সফল মৎস্যচাষী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন গাজী, মুক্তিযদ্ধে অবদানের জন্য কমান্ডার আলহাজ মো. সোলেয়মানকে গুনীজন সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং উপজেলাটির শ্রেষ্ঠ শিক্ষালয় হিসাবে কলমা লক্ষীকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির ভাষণে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, আমরা ছোট হতে পারি, কিন্তু অক্ষম নই। চেষ্টা করলেও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো। আজকে যাঁরা কৃতি হিসাবে সম্মনানা পাচ্ছো আগামীতে তাদের কৃতি হতে আরও অধ্যাবসায় চালিয়ে যেতে হবে। নয়তো এই স্থানটি দখল করে নিবে অন্যরা। তিনি উপিস্থিত শিশুদের নানা হাসির গল্পের মাধ্যমে আলোকিত হওয়ার স্বপ্ন দেখান। ড. নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন, যোগ্য জাতি গঠনে স্ব স্ব স্থান থেকে সকলকে ভূমিকা রাখতে হবে। বিক্রমপুরে ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং আলোকিত মানুষ হতে সহায়তার জন্যই অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন জেলার উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিবছর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।

অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিনি এমিলি এমপি বলেন, গুনীদের সম্মান দিলে আরও গুনী সৃষ্টি হয়। এই আয়োজন এই অঞ্চলে গুনী মানুষ তৈরীতে ভূমিকা রাখবে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.