২ ঘন্টায় কোটি টাকা বিক্রির মাছের আড়তের বেহাল দশা!

মোঃ রুবেল ইসলাম: তাজা ও ভেজাল বিহীন মাছের জন্য সুনাম ছরিয়ে পড়া বহু আলোচিত মাওয়া মৎস্য আড়ত এটি প্রায় দুই যুগের ও বেশি আগে প্রতিষ্ঠিত মাওয়ায় এ পদ্মা পাড়ের মাছের বাজার নামক মাওয়া মৎস আড়ৎ হিসেবে পরিচিত।

সেই মৎস্য আড়তের বেহাল দশা-দেখার কেউ নেই। মুন্সিগঞ্জ নগরীর ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মাওয়া বাজার রোড ঘেঁষে বৃহৎ মৎস্য আড়তে অনেক দুর দুরান্তর থেকে আসা মৎস্য ক্রেতা-বিক্রেতারা নানান সমস্যায় জর্জরিত থাকলেও নিরবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাফাই গেয়ে আসছেন মৎস্য আড়ত সমিতি। রশিকের উদ্দ্যেগে যানজট সহ নানান সমস্যা নিরসনের জন্য মৎস্য আড়তটি অন্যত্র সুষ্ঠভাবে স্থানান্তর করলেও কতিপয় অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায় এ স্থানেই চলছে আড়ত খানা। খুরিয়ে খুরিয়ে দিন অতিবাহিত হলেও এ জেলা সহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার হাটবাজার হতে আসা ক্রেতা বিক্রেতা ও স্থানীয় জনসাধারণের ভোগান্তি কমছে না।

সরজমিনেও সংশ্লিষ্ট শূত্রে জানা গেছে (বিক্রমপুর) ও ঢাকাসহ দেশের দূর দূরান্ত থেকে মাছের পাইকাররা এখানে ভোররাত ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘন্টা বেচাকেনা হয়। যেদিন মাছ বেশী আসে সেদিন কিছুটা বেশী সময় ধরে এখানে মাছের বেচা-কেনা হয়। তবে মাত্র দুই ঘান্টায় কোটি টাকার বেশী লেনদেন হয়ে থাকে। মাছের জন্য এ আড়তের সুনাম ইতিমধ্যে ঢাকাসহ বিভিন্ন দেশের লোকের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। নগরীর মূল মাওয়া বাজার ও বাস টারমিনালের ২ শত গজ দক্ষিণে পদ্মার পাড় মৎস্য আড়তটি অবস্থিত। ঢাকাসহ দূর দূরান্তের পাইকার, ব্যবসায়ী শ্রমিক সহ কয়েক হাজার সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও আয়ের উৎব থাকলেও এখানে নেই কোন ক্রেতা-বিক্রেতার সুযোগ সুবিধা ও সু-ব্যাবস্থা এখানে নেই কোন যাত্রী ছাউনি। কাল ভাটও গৌ সৌচাগার তার উপর আড়তের তুলনায় জায়গার পরিমান অনেক কম। একটু বৃষ্টি হলে পুরো আড়তে এক হাটু কাদা জমে যায়। ফলে সড়ক রোধ করে পেটের দায়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করতে হয় মৎস্য ব্যবসায়ীদের।

অনন্য দিকে মৎস্য আড়তটির পার্সেই বাজার রোড সেটি মাসের পড় মাস পানি জমে থাকায় প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে। এখানে কোন ধরণের ট্রাফিক ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তা পারা পারের যান বাহন চলাচলের বিগ্ন ঘটছে মারার্ত্তক ভাবে। এতে এলাকাবাসীর সাথে কথা হলে জানা যায়, যে দৈনন্দিন একটি অর্থবহ প্রতিষ্ঠান হলেও উন্নয়নের কাযক্রম রয়েছে। শূন্যের কোঠায় আড়তে আসা ক্রেতা-বিক্রেতার কাছ থেকে দৈনদিন যাতায়াত ভাড়া আদায় করা হয় তুলনায় অনেক গুন বেশি।

এ ব্যাপারে মৎস্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, সড়ক ঘেঁষে বৃহৎ মৎস্য আড়তটি থাকায় প্রতিমহুর্ত বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে যে কেউ। এ ব্যাপারে কোন ব্যবসায়ীরা মিলে প্রতিবাদ করলে উন্নতি হইত। অহরহ, সকলে নিরবতা পালন করে আসছে তাই। নেই কোন টয়লেট পরিস্কার ও বিশ্রাম ছাউনি, মৎস্য আড়তের এই বেহাল দশা দেখে মুখ পিরিয়ে নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। অপর দিকে আড়তটির পাশেই রয়েছে মাওয়া পদ্মা সেতু প্রকল্পর ঋৃষি পাড়া পুনর্বাসন এখান কার দুগন্ধে ছাত্র/ছাত্রীদের মুখে রুমাল চেপে চলাচল করতে হচ্ছে লেখাপড়ার ব্যাখাত ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে শিক্ষার্থীদের।

এদিকে মাওয়া পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকার নীতিমালা মেনে সবাইকে এর আগে গত বছর পদ্মা সেতুর কাজের জন্য মাওয়া ঋৃষিবাড়ি ঘাট থেকে আড়তটি সরিয়ে স্থায়ী ভাবে আনা হলো ১০০ মিঃ উত্তরের এলাকায়। তবে সরকারের নদী শাসনের কাজের জন্য নেয়া সাবেক জায়গার উপড়ে ও সড়কে অবৈধ দোকান পাট উচ্ছেদে বিশেষ প্রচার চলছে। জোরে সরে তারই অংশ হিসাবে বিশেষ উদ্দ্যেগ না থাকায় ক্রমস বাড়ছে। জনদুর্রভোগ বলে দাবী করেন এ এলাকার সচেতন মহল। মৎস্য আড়তটির পাশে রয়েছে অসংখ্য বাড়ীঘরের ছোট বড় টয়লেট দুর্গন্ধের কারনে জানা সুনা পথচারীরা অনেকে আসতে চাননা এ পথ হয়ে। সেই কারনেই এখান কার অনেক ব্যবসায়ী বন্ধের পথেই নেমেছে।

সময়ের কন্ঠস্বর

Comments are closed.