লৌহজংয়ে ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক-সেবিকা সংকট

মো. রুবেল ইসলাম: লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক ও সেবিকা (নার্স) দীর্ঘদিন ধরে সংকট চলছে ফলে খুরিয়ে খুরিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা। নেই জরুরী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সেবার ইমারজেন্সী যোগায়োগ মোবাইল নাম্বার ও দীর্ঘ দিনধরে পানি। এ উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের জন সাধারন মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বি ত হচ্ছে দাবি করেন সচেতন মহলেরা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখান বিভাগ সুত্রে জানা যায়,৫০ শয্যা কাগজে কলমে থাকলেও ৫০ শয্যায় কার্যক্রম চলছে না। তাই এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের শূন্য পদ আছে ৯ জন,বর্তমানে ডাক্তার কর্মরত আছে ১২ জন।

সেবিকা (নার্স) শূন্য পদ ৬ টি, কর্মরত আছে ৮ জন। এর মধ্যে ২ জন কমপ্লেক্সে আছে বাকি ৬ জন, নেই ডাক্তার দের ২১ টি পদ রয়েছে। ১২ জন আছেন ৯টি পদ শূন্য। ১২জন ডা. এর মধ্যে ডিপুটিশনে সদর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে ৩জন। বর্তমানে ৯ জন ডাক্তার ও ৮ জন সেবিকা দিয়ে খুরিয়ে খুরিয়ে চলছে এখানকার চিকিৎসা সেবা। ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। যে খানে একজন চিকিৎসকের বিপরীতে তিনজন সেবিকা (নার্স) থাকতে হয়। সেখানে চিকিৎসকের ও সেবিকার এই অনুপাতটি একেবারে উল্টো। এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১টি অ্যামম্বুলেন্স থাকলেও সেটি পুরাতন। এক্স-রে মেশিন ১টি সেটিও চালু না, মাত্র ১টি ই সি জি মেশিন চালু রয়েছে।

গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কমপ্লেক্সে ভবনটিতে মাত্র১ জন রোগী আর সকল বেইট খালি পড়ে আছে। দীর্ঘ দিনধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ত্বৗতল ভবন টিতে নেই পানির ব্যবস্থা। ফ্লোরে ফ্লোরে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিড়াল। নোংরা দুরগন্ধ ছরানো পরিবেশ, তুলনামুলক ভাবে রোগি ভর্তি থাকেন একেবারেই কম। এ ব্যাপারে ওয়ার্ডের ইনচার্জ সেবিকা আজমিনা বেগম জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে চাকুরী করছি। যে খানে সেবিকার ১৪ জন থাকার কথা সেখানে মাত্র ৮জন দিয়ে রোগীর সেবা করা কি করে সম্ভম। বর্তমানে আমি ও আর ১জন মিলে ২জনই ডিউটি করছি পুরুষ ওয়ার্ড ও মহিলা ওয়ার্ড একাই সামলাতে কঠিন হয়ে পড়ে এবং কিছু অফিসিয়াল খাতা পত্র এগুলো আবার ঠিকঠাক করতে হয়।

যদি ডিউটিতে অন্তত ৮ জন সেবিকা থাকত তাহলে রোগীদের সেবা করা সঠিক ভাবে পালন করা যেত। অন্যদিকে মহিলা ওয়ার্ডের অফিস রোমে গুলোতে দেখাযায় চেয়ার টেবিল খালি পরে আছে ডিউটিতে কেউ নেই রোমে রোমে ফেন ঘোড়ছে। অপরদিকে পুরুষ ওয়ার্ড রোম ও কর্মকর্তা ডাক্তারদের রোমে তো হাট বাজারের মতো এলাকার প্রভাব ব্যক্তিদের আড্ডাখানা কওে বসেআছেন। খালি পড়ে থাকতে দেখাগেছে কর্মরত ডাঃ সাহেবের চেয়ার। এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান কে হাসপাতালে ডিউটিতে না দেখে, তাকে অনেক বার মোবাইল ফোনে কলকরে পাওয়া যায়নি।

ভোরের কাগজ