টঙ্গিবাড়ীর আলদীতে মামলা তুলে নিতে মহিলাকে প্রাণনাশের হুমকি

টঙ্গিবাড়ীর আলদী গ্রামে সন্ত্রাসী হামলার বিচার চেয়ে মামলা করে আতঙ্কে রয়েছে শিরিন বেগম (৫৫) নামের এক নারীর পরিবার এমন অভিযোগ পাওযা গেছে। মামলা তুলে নেয়ার জন্য শিরিন বেগমকে বিভিন্ন ভাবে প্রাণনাশর হুমকি দিয়ে আসছে সন্ত্রাসী বাহিনীটি। এ ঘটনায় থানা একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে। যার নং ৬৪১।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে,গত ১৯ সেপ্টম্বর জোর করে আলদী বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার চেষ্টা চালায় মৃত করিম হালদারের ছেলে মেহেদি হালদার । এসময় মৃত ফজল হালদারের ছেলে সুমন হালদার এর প্রতিবাদ করলে সেখানে দু’জনের মধ্যে তর্কবির্তক হয়। পরে রাত ৯ টার দিকে মেহেদি হালদার,হাকিম হালদার ও তার ছেলে আল-আমিন হালদার সহ কয়েকজন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সুমন হালদারে বাড়ীতে অর্তকিত হামলা চালিয়ে বসতঘর ভাংচুর,লুটপাট ও সুমনের মা শিরিন বেগমকে ব্যাপক মারধর করে হাত ভেঙ্গে দেয়। পরে শিরিন বেগম বাদী হয়ে হামলা কারীদের বিরুদ্ধে টঙ্গিবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা পরে আসামীরা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় আবারো হামলা চালানো চেষ্টা করেন। হামলা চলাতে না পেরে বাদী শিরিন বেগমকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রনন্বাশের হুমকি দিচ্ছে মেহেদি ও তার সহযোগিরা। এতে চরম আতঙ্কে দিন কাটাতে হচ্ছে শিরিন বেগম ও তার পরিবারে লোকজনদের।

হামলার স্বীকার শিরিন বেগম বলেন, হামলা,ভাংচুর,লুটপাট ও নারী নির্যাতন মামলা করে এখন বাড়ীতে থাকা সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। সন্ত্রাসীদের ভয়ে এখন ঠিকমত বাড়ীতে থাকতে পারছিনা। মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাহিনীটি বিভিন্ন ধরনে হুমকি দুমকি দিয়ে আসছে। এমন অবস্থায় আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা রচম নিরাপত্তাহিনতা রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মেহেদি হালদার বলেন, আমি সুমন হালদারের উপর হামলা চালাইনি ওরাই আমার উপর হামলা চালিয়ে আমার শরিলের একাধিক স্থানে এলোপাথারি কুপিয়ে যখম করেছে । আমি তার বিচার চেয়ে থানা মামলা করেছি।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কারী কর্মকতা এস আই জাহাঙ্গীর বলেন, শিরিন বেগমের মামলা জামিনে মুক্ত রয়েছে আসামি মেহেদি। জামিনের মুক্ত হওয়ার পরে বাদী পক্ষকে হুমকির বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি খোজ নিয়ে দেখছি।

মুন্সিগঞ্জ নিউজ

Comments are closed.