লৌহজংয়ে সোনারুর চোখে ধুলো ॥ জালিয়াতি করে ধরা পরেছে তিন নারী

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে সোনারুর চোখে ধুলো দিয়ে নকল স্বর্ণ রেখে ৪০ হাজার টাকা সুদে নিয়ে ভেগে যাওয়ার পর বুধবার ধরা পরেছে টাকা নেয়া তিন নারী। অবশেষে মান সন্মান বাঁচাতে সোনারুকে টাকা ফেরত দিয়ে মুক্তি পেয়েছে তারা। ঘটানটি ঘটেছে লৌহজংয়ের চন্দ্রের বাড়ী বাজারের শ্যামলের স্বর্ণের দোকানে।

দোকানদার শ্যামল জানান, চন্দ্রের বাড়ী বাজারে আমার একটা স্বর্ণের দোকান আছে। সপ্তাহ খানেক আগে তিন মহিলা আমার কাছে এসে প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণ দেখিয়ে বলেন, এটা বন্ধক রেখে আমরা সুদে কিছু টাকা নিতে চাই। আমি স্বর্ণ মেপে যাচাই বাচাই করে বলি ৪০ হাজার টাকা দিতে পারবো। একথা বলে আমি অন্য এক কাষ্টমারের সাথে কথা বলছি। আর এ সময় মহিলারা তাদের স্বর্ণটা হাতে নেয় এবং একটু পর তারা বলছে আচ্ছা টাকাটা দেন। তার পর মহিলারা আমার হাতে স্বর্ণটা দেয় এবং আমি তাদের ৪০ হাজার টাকা দিলাম এবং তাারা চলে যায়। আমি যখন সব কাষ্টমারকে বিদায় দিয়ে স্বর্ণটা দেখছি, তখন দেখি এটা এমেটিন স্বর্ণ। তার পর আমি আমার দোকানের সিসি ক্যামেরা চেক করি এবং পরে দেখি একই রকমের চেইন তারা আমাকে বদলিয়ে দেয়। কাস্টমাসের সাথে কথা বলার সময় তারা আসল স্বর্ণটি বদলে ফেলে।

তিনি আরও জানান, গতকাল বুধবার বেলা ১১ টায় আমি একটা কাজে লৌহজং সদরে যাই এবং ওই তিন মাহিলাকে সেখানে পেয়ে যাই। আমি তাদেরকে ফুসলিয়ে আমার দোকানে নিয়ে আসি। পরে সিসি টিভি ফুটেজ দেখালে তারা নকল স্বর্ণ দেবার কথা স্বীকার করে। অবশেষে তারা ৪০ হাজার টাকা দিয়ে মুক্ত হন। ওই তিন মহিলার বাড়ি যমোর বলে জানা গেছে তবে তারা ভাড়ায় থাকেন উপজেলার কুমারভোগ গ্রামে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.