সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার চেষ্টা চলছে!

এ্যার্টনি জেনারেল মাহাবুবে আলম বলেছেন, আসন্ন দুর্গা পূজায় জঙ্গী হামলা উড়িয়ে দেয়া যায় না। একটি মহল সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে সব সময় সচেষ্ট থাকে। তাই সকলকে সজাগ থাকতে হবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এ ব্যাপের যথেষ্ট তৎপর রয়েছে। যার ফলে দুর্গা পুজার এই মৌসুমে কখনও কোন প্রকার অঘটন ঘটেনি। তারপরেও আমাদের সচেষ্ট থাকতে হবে। বিক্রমপুরে সব সময় সাম্প্রতিক সম্পৃতি বজায় ছিল, এখনও আছে। তাই সকলকে সচেতন থাকতে হবে, যাতে বাইরে থেকে কেউ এসে আমাদের সামাজিক সম্প্রীতির মাঝে ফাটল ধরাতে না পারে।

তিনি আজ শুক্রবার তাঁর নিজ বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের মৌছা মান্দ্রা গ্রামে দুর্গাপুজা উপলক্ষে দুস্থ হিন্দু নারীদের মাঝে নতুন শাড়ী কাপড় বিতরণ কালে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম শাহীন, লৌহজং থানার ওসি মো. আনিছুর রহমান, স্থানীয় হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, কনকসার ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

এ্যার্টনি জেনারেল বলেন, আমাদের দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেক দরিদ্র লোক আছে, যারা মন চাইলেও হিন্দুদের এই বৃহৎ উৎসবে নতুন জামা কাপড় পড়তে পারেন না। তাই তিনি নিজ উদ্যোগে গত কয়েক বছর ধরে তাঁর ইউনিয়নসহ আশেপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের দরিদ্র নারীদের মাঝে নতুন কাপড় বিতরণ করেন। তিনি রমজানের আগেও দরিদ্র মুসলমানদের মাঝে ইফতার ও সেহরির জন্য চাল, ডাল, তেল ছোলাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণ করেন।

মাহাবুবে আলম আরও বলেন, এ কাপড় বিতরণের মধ্যে দিয়ে হিন্দু মুসলমানের মাঝে সাম্প্রতির বন্ধন আরো পোক্ত হলো। একে অপরের দু:খসুখে শরিক হবার সুযোগ হলো। সমাজে যারা বিত্তবান আছেন তিনি তাঁদের এ রকম সামাজিক সম্প্রতি বজায় রাখতে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান। কারণ বিত্তবানরা এগিয়ে এসেছিল বলেই এ অঞ্চলে বেসরকারীভাবে ৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাই বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে সমাজে কোন প্রকার অভাব থাকতে পারেনা।

পরে তিনি বিকেলে পাশ্ববর্তী কনকসার ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ে মধ্যেও নতুন শাড়ী কাপড় বিতরণ করেন।

জনকন্ঠ

Comments are closed.