৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরনে বাধা দানে ছাত্রীর বাবা ভাইসহ গুরুতর আহত ৬

মুন্সিগঞ্জে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরনে বাধা দেওয়ায় ওই ছাত্রী ও তার বাবা, চাচা, ভাইসহ ৬ জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে সন্ত্রাসিরা। বুধবার ভোর রাত ৪ টার দিকে জেলার শ্রীনগরের আরদীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত পরিবার ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, জেলার শ্রীনগরের ষোলঘর হাইস্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া আসার সময় একই গ্রামের পাশের মহল্লার রশিদ শেখের বখাটে ছেলে উজ্জল প্রেমের প্রস্তাবসহ উত্ত্যাক্ত করে আসছিল।

বখাটের প্রেমের প্রস্তাবে ওই ছাত্রী রাজি না হওয়ায় বুধবার ভোর রাত ৪ টার দিকে ওই ছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জোর করে তুলে নিতে য়ায় উজ্জল ও তার দুই সহযোগী আরদি পাড়া গ্রামের আজিজের ছেলে হিরু ও আলীর ছেলে মইক্কা। এ সময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে পাশের কক্ষে থাকা বাবা,মা,ভাই,চাচা ও চাচাত ভাই এগিয়ে আসলে উজ্জল বাহিনী তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিরস্ত্র ছয়জনকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে।

এ সময় উজ্জল বাহিনীর ছোরা ও রাম দায়ের আঘাতে অপহ্নতা ছাত্রীর মাথায় ও কান কেটে যায়। অপহ্নতাকে উদ্ধার করতে আসা বাবা, চাচা, ভাইসহ ৬ জনকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে সন্ত্রাসিরা। এ সময় আহতদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে উজ্জল বাহিনী পালিয়ে যায়। আহতদেরকে মারাত্মক রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় ষোলঘর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই ছাত্রীর চাচা আওলাদ শেখ।

তিনি আরো জানান, আরদি পাড়া গ্রামের বখাটে উজ্জল হিরু ও মকি ওরফে মইক্কা তার ভাতিজিকে বুধবার ভোর রাতে ধারালো অস্ত্র মুখে তুলে নিতে গেলে তার ভাতিজির চিৎকারে সবাই জেগে উঠে উজ্জল গংদের বাধা দিলে তারা সবাইকে খুন করার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। তার পরিবারের সবাই আহত হয়েছে। তিনিও বাম হাতে একটি কোপ খেয়েছেন। থানায় গিয়েছেলেন আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় থানা কতৃপক্ষ মামলা নেয় নাই বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: সাইদুর রহমান জানান, এ ঘটনা কেউ তাকে অবহিত করেনি বা কোন অভিযোগও করে নাই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।

মুন্সিগঞ্জ নিউজ

Comments are closed.