মোহনসহ তিন নেতাকে মূল্যায়ন করার দাবি

কেন্দ্রে পদ না পেয়ে জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও শ্রীনগরের পাটাভোগ বিএনপির সদস্যপদসহ বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে পদত্যাগ করেছেন রাজনীতিক ও কলামনিস্ট মহিউদ্দিন খান মোহন।

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক ছিলেন।

তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে জানিয়েছেন, ১৯৭৮ সালের পহেলা সেপেম্বর থেকে বিএনপির জন্য বিভিন্ন ভাবে শ্রম দিয়েছি। ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেনের সময় বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে প্রেস রিলিজে যখন স্বাক্ষর করার কোন লোক ছিল না, তখন আমি এ কাজ করছি।

২০১৫ সালের পেট্রল বোমার আন্দোলনের সময় মিডিয়ায় বিএনপির পক্ষে কাজ করি। গত দুইটি কমিটিতে আমাকে মূল্যায়ন করা হয়নি। এর আগের কমিটিতে আমি সহ-প্রচার সম্পাদক ছিলাম। কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা বলেছিলেন, এবার আমাকে মূল্যায়ন করা হবে। কিন্তু কিছুই করা হলো না। বর্তমান বিএনপির রাজনীতি করার অনুপযুক্ত আমি। তাই বিএনপির সমস্ত সাংগঠনিক সর্ম্পক ছিন্ন করলাম। শহীদ জিয়ার আদর্শের ভিত্তিতেই দলের বাইরে থেকে কাজ করবো।

এ পদত্যাগ পত্র আজই (বৃহস্পতিবার) মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাইয়ের কাছে কুরিয়ার করে পাঠিয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল হাইকে কেন্দ্রীয় পদ না দেয়ায় ক্ষুভে ফুঁসছেন স্থানীয় নেতারা। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলেছেন, আবদুল হাই মুন্সীগঞ্জের জনবান্ধব নেতা, তাকে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান তারা। এরআগে গত কমিটিতে তিনি স্থানীয় সরকার ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। নতুন কমিটিতে তাকে কোন পদ না দেয়া ক্ষুব্ধ হয়ে ফুঁসছেন নেতাকর্মীরা। আন্দোলন-সংগ্রামে তার ব্যাপক উপস্থিতি ও কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে মুন্সীগঞ্জের ৫ বারের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল হাইকে মূল্যায়ন করার জোর দাবি জানিয়েছেন এখানকার তৃণমূল।

ওদিকে, মুন্সীগঞ্জের আরেক নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনকেও তারা বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে দেখতে চাচ্ছেন। তাকে এবারও ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে। শাহ মোযাজ্জেম হোসেনকে স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ দিয়ে মূল্যায়ন করার দাবি করেছেন স্থানীয় নেতারা।

পূর্ব পশ্চিম

Comments are closed.