বাল্গহেটের ধাক্কায় পাকা সেতু খালে!

মুন্সীগঞ্জে বাল্গহেটের ধাক্কায় পাকা সেতু ভেঙ্গে খালে পরেগেছে। সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল বাজারের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে এই সেতু বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টায় ধসে যায়। বালুর জাহাজ (বাল্গহেটের) ধাক্কায় ভেঙ্গে পড়েছে। এখন ভাঙ্গা ব্রিজের উপর আটকা পরেছে বাল্গহেটটি। এতে ওই খাল দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া সেতু ভেঙ্গে পড়ায় খালের দুই প্রান্তের বাসাইল ও গুয়াখোলার হাজার হাজার মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসাইল ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম জানান, বালু ভর্তি একটি বাল্গহেটের ধাক্কায় জনগুরুত্বপূর্ণ সেতুটির মাঝ বরাবরে ভেঙ্গে গেছে। এতে করে বাসাইল ও গোয়াখোলা এলাকার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়ায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ,উপজেলার বাসাইল ও গোয়াখোলা এলাকার হাজার হাজার মানুষের প্রতিদিনের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল এটি।

ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়ায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্রজিটি মেরামত কিংবা পুননির্মাণ না করা হলে বাসাইল বাজারে ব্যবসা বাণিজ্যে ধস নামতে পারে বলেও ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এছাড়া স্থানীয়দের নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক কাজও ব্যাহত হবে বলে আশংকা করেন বর্তমান ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী খান।

গুয়াখোলা গ্রামের সরকার সামসুজ্জামান পনির বলেন, সেতুর রড ও কংক্রিটের ভিমে প্রচন্ড ধাক্কা দিলে এটি ভেঙে পড়ে। চালকের ভুলে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে সেতুটি ধীরে ভেঙে পড়ায় কেউ হতাহত হয়নি। এই সরু ব্রীজটি নিয়ে বহুবার পত্রপত্রিকায় লিখালিখি হলেও কোন লাভ হয়নি। স্থানীয়রা জানান, প্রায় বিশ হাজার মানুষের চলাচলে সেতুর ওপর নির্ভরশীল। জনস্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে সেতুটি নির্মাণ করা উচিত।

সিরাজদিখান থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান জানান, বাল্গহেটটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়েগেছে। আইনী প্রক্রিয়া গ্রহন করা হচ্ছে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.