মুন্সীগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

মুন্সীগঞ্জে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল জানান, রোববার পদ্মার পানি মুন্সীগঞ্জের ভাগ্যকূল পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার কমে বিপদ সীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এবং মাওয়ায় ১০ সেন্টিমিটার কমে বিপদ সীমার ৭ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে বইছে। বানভাসীদের বাড়ি থেকে পানি কমতে শুরু করেছে। এখনও টঙ্গীবাড়ি, লৌহজং ও শ্রীনগর উপজেলার পদ্মা তীরের গ্রামগুলো কয়েক হাজার পরিবার এখনও বন্যাকবলিত। একদিকে পানি কমছে অপর দিকে বন্যা কবলিতদের নানা সমস্যা বাড়ছে। বিশুদ্ধ পানি, খাবার ও বিভিন্ন পানি বাহিত রোগ দেখা দিচ্ছে।

এদিকে বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে এলাকায় সরকারী ভাবে চাল, নগদ টাকা এবং পানি বিশুদ্ধ করণ বরি বিতরণ করা হচ্ছে। তীব্র স্রোতের কারণে কয়েকটা পয়েন্টে নদী ভাঙ্গনও দেখা দিয়েছে। সরকারী ভাবে নির্দেশে আছে ভাঙ্গন বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার। এছাড়া যেখানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে তা রোধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভাঙ্গনে যাদের সহায় সম্বল সব হারিয়েছে সরকার তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে বলে ইতোমধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘোষনা দিয়েছে।

এদিকে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি সার্ভিসও প্রায় মাসকাল ধরে ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র ¯্রােতে ফেরিগুলো স্বাভাবিকভাবে চলতে পারছিল না। উচ্চ ক্ষমতার টাক বোড দিয়ে ফেরিগুলো লৌহজং টানিংয়ে টেনে নেয়া হচ্ছিল। সময় লাগছিল প্রায় দ্বিগুন । এখন অবস্থা কিছুটা ভালোর দিকে যাচ্ছে।

এসব তথ্য দিয়ে বিআইডব্লিউটিসির এজিএম শাহ নেওয়াজ খালিদ জানান, রোববার উচ্চ ক্ষমতার টাক বোড ছাড়াই ফেরিগুলো চলছে। কাওড়াকান্দির তলিয়ে যাওয়া ২ নম্বর ঘাটটিও মেরামত করা হয়েছে। দু’প্রান্তের ৬টি ঘাট দিয়েই এখন গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। তবে এখনও ফেরি চলছে ১৭টির স্থলে ১৩টি। দু’পারেই যানজট কমেছে। রোববার উভয় পাড়ে পারাপারের অপেক্ষায় ছিল শতাধিক যান।

বাসস

Comments are closed.